Friday, 6 August 2021

কি অদ্ভুত মিল!




এক লোক ফাস্টফুড কাউন্টারে বসে মাটন কাবাব আর চিলি সস অর্ডার দিতেই পাশে বসা এক সুন্দরী মহিলাও একই অর্ডার দিয়ে বললো কি অদ্ভুৎ মিল !!

আপনার আমার প্রিয় খাবার একই মাটন আর চিলি

বাই দ্য ওয়ে আমি রত্না, আপনি?

আমি রতন

আরে আপনার আর আমার নামের প্রথম অক্ষরও এক, নামের অর্থও এক।

আপনি কি নিয়মিত আসেন?

না,

আমি সেলিব্রেট করতে এসেছি।

এখানেও কি অদ্ভুৎ মিল,

আমিও সেলিব্রেট করতে এসেছি।

জানতে পারি কিসের?

ভদ্রলোকঃ আমার পোল্ট্রি ফার্মের মুরগীগুলো প্রায় চার বছর যাবৎ ডিম দিচ্ছে না।

আজ সকালে ডিম দিয়েছে সেই আনন্দ উদযাপনের জন্য এখানে আসা।

মহিলাঃ

এখানেও আমার সাথে আপনার কি অদ্ভুৎ মিল। আমার চার বছর বিবাহিত জীবন।

সন্তান হচ্ছিলো না। আজই প্রেগনেন্সি পজিটিভ হলো।

কিভাবে মুরগী ডিম দিলো?

ভদ্রলোকঃ আমি মোরগ চেঞ্জ করেছিলাম।

আপনি?

মহিলা মৃদু হেঁসে

কি অদ্ভুৎ মিল...

😮😮😮

Wednesday, 4 August 2021

পরকীয়া প্রেম




পরস্ত্রীর সাথে প্রেম করার অর্থ কিন্তু এটা নয় – যে তুমি নিজের স্ত্রীকে প্রতারণা করছ। এটা অনেকটা তোমার নিজের গাড়ি থাকা সত্বেও ট্যাক্সি ভাড়া করার মত। এতে তোমার গাড়ির টায়ারের আয়ু বাড়বে। তোমার গাড়ি অনেক বেশি দিন সুন্দর থাকবে।

এই পুরো ব্যাপারটা তোমার স্ত্রীকে বুঝিয়ে বলো। তারপর তুমি কোন হাসপাতালে ভর্তি আছো জানাবে দেখতে যাব।

খবরদার আমি বলেছি একথা কিন্তু বৌকে বোলোনা, যা বলবে নিজের দায়িত্বে। 👠

Saturday, 31 July 2021

বর বউয়ের বিবাদ




শুভময়ের আজ সকালে ভীষণ জরুরী মিটিং | সাড়ে নটা র ভিতর অফিস ঢুকতেই হবে | স্নানে যাবার সময় হয়ে এল,কিন্তু যেতে পারছে কই | কাজের সময় মোবাইলটি খুঁজে পাচ্ছে না তার মধ্যে শ্বশুর মশায় আর শাশুড়ি মা, সাত সকালে এসে হাজির একই পাড়ায় প্রেম ঘটিত বিয়ে তার আর সঞ্চিতার শ্বশুর বাড়ি হেঁটে পাঁচ মিনিটের রাস্তা | শ্বশুর মশায় ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন,এখন অবসর নিয়েছেন,আর শাশুড়ি মা হলেন ডাক্তার, গাইনোকোলজিস্ট| সাংঘাতিক দাপুটে মহিলা | ওনাদের দু জনেরই দৃঢ় বিশ্বাস, মেয়ের সম্বন্ধ করে বিয়ে দিলে অনেক ভাল জামাই পাওয়া যেত | তাই কথা বার্তায় একটা খোঁচার আভাস পাওয়া যায় | শুভময়ের বাবা,মা এখন দিল্লীতে,শুভময়ের দিদির কাছে গেছে, তাই ওনাদের যাওয়া আসাটাও বেড়েছে | শ্বশুর মশায় বললেন "কি হে কি খুঁজছো এত তন্ন তন্ন করে "?"না, আসলে ফোনটা কোথায় যে রাখলাম" | "ফোন কি সাইলেন্ট মোডে রাখা "? এই সব প্রশ্ন এই সময় ভালো লাগে কারুর?তাও মাথা ঠান্ডা রেখে বললো "না সাইলেন্ট এ রাখা নয়" | শ্বশুর মশায় খোঁচা মারার এমন সুযোগ কি আর ছেড়ে দেন?বললেন" তা হলে এত চিন্তা করার কি আছে? আমি তোমার ফোনে ফোন করছি,রিং হলেই তো বুঝে যাবে ফোন কোথায়, তোমাদের আজকাল কার ছেলেদের এই উপস্থিত বুদ্ধিটুকু যদি না থাকে ,তা হলে তো মুস্কিল"| শুভময় মনে মনে বললো "এটা এমন কিছু বড় ব্যাপার নয় অনেকেই তাই করে" ", আজ নেহাত মিটিং এর টেনশন এ মাথা কাজ করছে না তাই"| কিন্তু সামনে তো আর সেটি বলা যায় না, তাই খোঁচাটুকু হজম করে,হেঁ হেঁ করে দেঁতো হাসি হেসে ম্যানেজ করল | অনেক দেরী হয়ে গেছে | সঞ্চিতাকে বলে দিল ফোনটা পেলে যেন খাবার টেবিলের উপর রেখে দেয়| বাথরুমে যাবার আগে দেখলো শ্বশুর মশায় সোফাতে আয়েশ করে বসে খুব স্মার্টলি নিজের স্মার্ট ফোনটি বার করে তাকে ফোন লাগাচ্ছেন,আর শাশুড়ি মা একসাথে দশটি করলার জুস্ সদ্য খেয়ে ওঠার পর যেমন মুখ হয় মানুষের,সেই রকম মুখ করে বসে আছেন | বাথরুমে ঢোকার পর তার কানে ফোনের মিষ্টি আওয়াজ ভেসে এল,"যাক বাবা, নিশ্চিন্ত, এবার ফোনটা পাওয়া যাবে স্নান করে বেরিয়ে দেখে সঞ্চিতা তার ফোনটি হাতে নিয়ে বসে আছে | এক গাল হেসে সে যেই ফোনটি নিতে যাবে অমনি সঞ্চিতা চিৎকার করে বলে উঠলো " তুমি এত অশিক্ষিত আমার জানা ছিল না তো | "ছিঃ,ছিঃ, বাবার আজকে যা অপমান হলো,বাবা মনে হয় আর কোনোদিনও এ বাড়ি আসবে না" | শুভময় তো কিছুই বুঝতে পারলো না | স্নান এ যাবার আগে দেখে গেল বউ হাসি হাসি মুখে চা বানাচ্ছে, স্নান সেরে বেরিয়েই দেখছে বউ এমন মারকুটে হয়ে ল, এ কি কান্ড রে বাবা | তাই খুব ভয়ে ভয়ে আমতা আমতা করে জিজ্ঞাসা করলো "কি হয়েছে বল তো"?"বাবা,মা কোথায় চলে গেলেন"? "তুমি বা এত ক্ষেপে আছো কেন"? "আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না" | সঞ্চিতা একটি হাড় হিম করা চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো "কিছুই বুঝতে পারছো না, তাই না"? "ন্যাকামো হচ্ছে"? "তোমার ফোনটা বাবার ঠিক পাশেই সোফার ফাঁকে ঢুকে গেছিলো,বাবা রিং করেই ফোনটা পেয়ে যায়, তারপর বাজতে থাকা অবস্থাতেই আমাকে দেখায়, দেখি ফোনের স্ক্রীনে যে লেখাটা বার বার ফুটে উঠছে, সেটা হল "টাকলা শ্বশুর", টাকলা শ্বশুর", "তুমি আমার বাবার নম্বর এই নামে সেভ করেছো"? "বাবা,মা ভীষণ অপমানিত বোধ করে বাড়ি চলে গেল"| শুভময় বুঝলো হাওয়া সাংঘাতিক খারাপ, এখন কিছু বলতে গেলেই কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে |তাছাড়া আজ মিটিং আছে,যা মিটমাট সব মিটিং এর পর | সে কোনো কথা না বলে ঝটপট তৈরি হয়ে নিল | খেতে খেতে দেখতে পেল সঞ্চিতা বেডরুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে | এখন শান্ত করার কোনো মানেই হয় না,যা হবে অফিস থেকে ফিরে বেরোনোর আগে সে শুধু ভগবানকে একবার ডাকলো আর একবার ধন্যবাদ দিল | ডাকলো যাতে মিটিং টা ভালো ভাবে উৎরে যায়,আর ধন্যবাদ দিল কারণ শাশুড়ি মা, শ্বশুর মশায়ের মত ফোনটা খোঁজার চেষ্টা করেননি বলে শুভময়ের ফোনে তার শাশুড়ির নাম্বারটি "গাইনির ডাইনি"বলে সেভ করা আছে। 😂

সুখবর

বাড়ির বৌ টক লেবু চাটছে দেখে, ভাববেন না যে খুশির খবর আসতে চলেছে, জমানা, পাল্টেছে, হতে পারে চার পেগ মেরে এসেছে, এখনো ঘোর কাটেনি। 🥂🍾🍻

ভাইরাস

😂😂😂
এত intellectual ভাইরাস আগে হয়ত আসেনি। 
প্রথমে বয়স্ক, তারপর যুবককে, তারপর বাচ্ছাদের। একটা শৃঙ্খলা  মেনে এগোচ্ছে।
সে জানতো যে টিকা আসছে সেইজন্য সে ডেল্টা রূপে পালিয়ে গেল। অদ্ভুত দূরদর্শিতার পরিচয়।
যে সময় lockdown চলছে শুধুমাত্র সেই সময়েই সে ঘুরতে বা শিকার করতে বেরোবে। যেমন রাত 9 তা থেকে 5 । অদ্ভুত ভাবে disciplined.
Train সে খুবই ভালোবাসে। বাস বা অন্য public ট্রান্সপোর্ট সে পছন্দ করে না। হতেই পারে ..virus বলে কি তার ইচ্ছে থাকতে পারে না?
Virus কিন্তু চাইলেই মাস্কের মধ্যে দিয়ে ঢুকে পড়তে পারে, কিন্তু না। কানে ঝুলিয়ে রেখে সম্মান টুকু দিলেই করোনা খুশি। প্রচন্ড আত্মসম্মানি জীবাণু।
আপনি রেঁস্তোরাতে মাস্ক পরে ঢুকবেন এবং অবশ্যই আশা করি মাস্ক খুলেই খাবেন, সেই টুকু সময় ও আপনাকে আক্রমণ করবে না। virus বলে কি প্রাণে মায়া নেই???
Virus পরীক্ষা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুব পছন্দ করে। হয়তো অতৃপ্ত কোনো বাসনা ছিল। কিন্তু যুব আন্দোলন সমর্থন করেন সেই জন্য ফেল করা ছাত্র ছাত্রীদের তিনি ছাড় দিয়েছেন। বিপ্লবী মন থাকতেই পারে।
ও জানে যে রাজনৈতিক কোনো জায়গায় সেরকম ভাবে তার উপস্থিতি গ্রাহ্য হয় না। সেই জন্য সে মিটিং মিছিল থেকে দূরে থাকে। মর্যাদা পালন করে থাকে ভোটের আগে।
জীবানু বদ অভ্যেস একদম পছন্দ করে না। মদ বা মদের দোকান থেকে সে দুরেই থাকে। মানুষ না বুঝলেও সে বোঝে মদ্যপান স্বাস্থের জন্য হানিকারক।
যত বলা যায় তত কম এই  জীবাণুর প্রতিভার বিষয়ে। আমি মুগ্ধ।

🙏🙏🙏

গালাগালির উপকারিতা

গালাগালির উপকারিতা বিষয়ক একটি গল্প :
😊😊😊😊😊😊

মিন্টু ঘোষ ব্যাগ নিয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ রাস্তার পাশের পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের নিচে পাবলিকের ভিড় দেখে সেদিকে এগিয়ে গেলেন। সবাই ওপরের দিকে তাকিয়ে কী যেন দেখছে ?? 🤔
ভদ্রলোকও ওপরের দিকে তাকালেন। দেখলেন ছাদের কার্নিশে একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। একটু এদিক-সেদিক হলেই পাঁচতলা থেকে সোজা নিচে পড়ার প্রবল আশঙ্কা। 

মিন্টুবাবু উপস্থিত একজনকে জিজ্ঞেস করলেন - ‘মশাই, বিষয় কী?’
ভদ্রলোক বললেন - ‘বৌ *ছ্যাঁকা* দিয়েছে। 😢 তাই আত্মহত্যা করার জন্য ছাদে উঠেছেন।’ 

মিন্টু বাবু বললেন - ‘আপনারা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন না?’ 

ভদ্রলোক বললেন - ‘সবাই তাকে নেমে আসার জন্য বলছে, কিন্তু সে নামতেই চাইছে না।’

মিন্টুবাবুর মনটা খুব খারাপ হলো। এমন তরতাজা নওজোয়ানেরা তুচ্ছ কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে দেখে তাঁর মন ব্যথায় ভরে গেল। ব্যথার জন্য পাশের ফার্মেসি থেকে একটা পেইনকিলার খেয়ে ছেলেটাকে কীভাবে বাঁচানো যায়, সে চিন্তা শুরু করলেন।

আইডিয়া পেতে দেরি হলো না। মিন্টুবাবু ওপরের দিকে তাকিয়ে বললেন - ‘কোন শুয়োরের বাচ্চা  ছাদে উঠেছে রে?’ 

ওপর থেকে জবাব এল, ‘গালাগালি করে কে রে?’

মিন্টু ঘোষ আবার বললেন - 'বেশ করেছি গালাগালি করেছি। তুই কী করবি রে বোকা**  হারামির বাচ্চা?’ 

‘দেখুন, ভদ্রলোক মানুষ, মুখ খারাপ করবেন না। 
আমি নেমে আসলে কিন্তু অবস্থা খারাপ করে ফেলব!' 

জবাব এল আত্মহননকারীর কাছ থেকে।

মিন্টু ঘোষ এবার আসল বোমাটা ছাড়লেন - ‘তোর এত বড় সাহস, আমাকে হুমকি দিস! কুত্তার বাচ্চা, সাহস থাকলে সামনে আয় খা**র ছেলে।’ 

ব্যস, এতেই কাজ হলো। আত্মহননকারী আত্মহত্যার চিন্তা বাদ দিয়ে মিন্টু ঘোষ কে ধরতে সিঁড়ি দিয়ে হড়হড় করে নামতে শুরু করল। 

এই ফাঁকে মিন্টু বাবু দিলেন দৌড়।
🕺🕺🕺🕺🕺🕺🕺

সেই আত্মহননকারী আজও বেঁচে আছে। মিন্টু ঘোষকে উপযুক্ত  শিক্ষা না দিয়ে সে মরবে না বলে পণ করেছে।
😡😡 😠😠

Moral: *গালাগালি দিয়ে যদি ভালো কিছু হয়, তবে গালাগালিই ভালো😉😘*

Friday, 30 July 2021

তালার নিরাপত্তা

এক ভদ্রলোক ঘরের নিরাপত্তার জন্য একটা তালা কিনতে দোকানে গিয়ে বললেনঃ এই তালাটার দাম কত ভাই? বিক্রেতাঃ এটা জাপানি তালা। দাম মাত্র ৩৫০০/- টাকা।

ভদ্রলোক দাম শুনে দোকান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন দেখে বিক্রেতা বললোঃ

কি ভাই তালা নেবেন না?

ভদ্রলোকঃ না ভাই,আমার দারোয়ান নেই।

বিক্রেতাঃ দারোয়ান দিয়ে কি হবে?

ভদ্রলোকঃ বুঝলেন না, ৩৫০০/- টাকার তালা পাহারা দেবে কে? আগে দারোয়ান ঠিক করি, তারপর তালা। 😒

ভোলাভালা

বিয়ের প্রায় পনেরটি বছর পর আজ গিন্নি হঠাৎই ইমোশনাল হয়ে বললো, "তুমি কিন্ত একটুও বদলাওনি, সেই একই রকম ভোলাভালা শান্তশিষ্ট প্রথম দেখা দিনটির মতন!"

আমি উদাস হয়ে বললাম, "যো রহিম উত্তম প্রকৃতি, কা করি সক্ত কুসংগ। চন্দন বিষ ব্যাপত্ নহি, লিপটে রহি ভুজঙ্গ।।"

গিন্নি আহ্লান্দী হয়ে বললো, "বাংলায় বলোনা গো!"

রহিম বলছে, "যেমন সাপ জড়িয়ে থাকলেও চন্দন গাছের কোন ক্ষতি হয় না, সেরকম উত্তম প্রকৃতির মানুষের ওপর কুসঙ্গ কোন প্রভাব ফেলে না!"

চোয়ালে বরফ ঘষছি। রাতে রুটিও বোধহয় চিবুতে পারবো না! 😭

সম্পত্তি

   ♦এক বৃদ্ধ হাসপাতালে তার শেষ নিশ্বাস নিচ্ছিল ৷ বেডের পাশে একজন নার্স, তার স্ত্রী, 
দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছিল৷
   ♦বৃদ্ধ বড় ছেলেকে বলল- "বাবা,আমিতো আর বেশিক্ষণ বাঁচবো না৷ তাই ভুবনডাঙ্গার১৫টি বাড়ি তুই নে ৷"
   ♦মেয়েকে বলল- "রতন পল্লীর ১৭টি বাড়ি তুই নে ৷"
   ♦ছোটো ছেলেকে বলল- "তোকে তো আমি খুব ভালোবাসি তাই শ্যামবাটির ২০টি বাড়ি তোর৷"
   ♦স্ত্রীকে বলল- "আমার যাবার পর কারো কাছে তোমাকে হাত পাততে হবেনা ৷ তাই বসুন্ধরার ১০টি ফ্ল্যাট তুমি রাখো৷"
   ♦তখন নার্স তার স্ত্রীকে বলল- "আপনি কত ভাগ্যবান আপনার স্বামী আপনাদের জন্য কত সম্পত্তি দিয়ে যাচ্ছেন৷".......
   ♦স্ত্রী বললো- "কিসের সম্পত্তি! ও দুধওয়ালা!! বাড়ি বাড়ি দুধ দেয়। সকলের দুধ দেয়ার Duty ভাগ করলো!!!"......
   ♦নার্সের এখনও জ্ঞান ফেরেনি.

Thursday, 29 July 2021

স্ট্রোক সনাক্তকরণ

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিকষ আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন অ্যাম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো- তার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক হয়েছিল। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটে মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান..!!

Wednesday, 28 July 2021

এত রাতে

বন্টু মদ খেয়ে বেশি রাত করে যখন বাড়ি ফিরে দেখলো টুনি দরজা কিছুতেই খুলতে চাইছে না!

বন্টুঃ ও গো দরজাটা খুলো.

টুনিঃ লজ্জা করেনা তোমার, রাত বিরেতে ছাই-পাস গিলে এসেছো? আজ বাইরেই থাকো, নয়তো যেখান থেকে গিলে এসেছো সেখানেই যাও,আমি দরজাখুলবই না।

বন্টু অনেক কাকুতি মিনতি করলো তাও দরজা খুললো না।শেষে বল্ট টুনিকে হুমকি দিল বললো

বন্টুঃ যদি দরজা না খুলো তো আমি কিন্তু পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে মরে যাবো।

ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে ভাবলো ওষুধে কাজ হয়েছে, . কিন্তু !! কিছুক্ষণ পর ওই টুনি বলে উঠলো টুনিঃ তুমি যাই করো আমার যায় আসেনা,আজ তোমার ঘরে আসা বন্ধ।

বন্টু চুপচাপ করে ঘরের এক পাশে অন্ধকার জায়গায় গিয়ে লুকিয়ে একটু অপেক্ষা করলো,

কিন্তু টুনি দরজা খুললো না। তখন একটা ইট তুলে ছুড়ে দিল পুকুরে,আর অন্ধকারে ঘাপটি মেরে বসে রইলো।

এদিকে টুনি শুনতে পেলো জলে কিছু পড়ার আওয়াজ! সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে ছুটে গেল পুকুর পাড়ে। ঠিক সেই সুযোগে বল্ট ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল। টুনি অনেক ধাক্কা দিল কিন্তু বল্ট দরজা খুললো না।

তখন টুনি খুব রেগে বললো-

টুনিঃ তুমি দরজাখুলবে, না আমি চেঁচিয়ে লোক ডাকবো?

বল্টুঃ একটু জোরে জোরে চিল্লাও যাতে করে বেশি লোক ঘুম থেকে উঠে চলে আসে, তারপর আমি তাদের সামনে তোমার কাছে জানতে চাইবো যে এতো রাতে তুমি কোথায় গিয়েছিলে? তাও আবার

নাইট ড্রেস পরে ....

🤣🤣🤣

Popular Posts