Saturday, 24 July 2021

বন্ধুত্ব

বিলুর ছোটবেলা থেকেই ভয় যে তার খাটের নিচে বোধহয় কেউ লুকিয়ে আছে।

শেষ পর্যন্ত এক মনোবিদের কাছে গেল সে। "আমার একটা সমস্যা আছে। যখনই শুতে যাই, আমার মনে হয় কেউ যেন আমার খাটের তলায় লুকিয়ে রয়েছে। ভয়ে ঘুম হয় না। মনে হয় আমি পাগল হয়ে যাব।"

মনোবিদ বললেন "চিন্তার কোনও কারণ নেই, সব ঠিক হয়ে যাবে। শুধু একটু সময় লাগবে।"

"কত সময় লাগবে"?

"তা ধরুন বছর খানেক। আপনি সপ্তাহে তিনদিন করে আমার কাছে আসবেন, আমরা শুধু কথা বলব। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার ভয় হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে।"

"আপনার ফি কত?"

"২০০০ টাকা প্রতি সেশন।"

বিলু নমস্কার জানিয়ে চলে এলো।

এর ছয় মাস পরে একদিন রাস্তায় বিলুর সঙ্গে সেই

মনোবিদের হঠাৎ দেখা।

"কি ব্যাপার, আপনি আর এলেন না কেন?"

বিলু বলল "প্রতি দর্শনে ২০০০ টাকাটা অনেক বেশী মনে হল। বছরের শেষে সেটা লাখ টাকায় দাঁড়িয়ে যেত। আমার এক বন্ধু মাত্র একটা Egg Roll পারিশ্রমিক নিয়ে আমার ভয় সারিয়ে দিয়েছে।"

মনোবিদ বেশ ক্ষুন্ন হয়েই বললেন, "আচ্ছা ? তা কিভাবে সারালেন তিনি আপনার রোগ?"

"সহজ রাস্তা। পুরো Egg Roll টা শেষ করে ও আমাকে বলল খাট বেচে দিয়ে মেঝেতে তোষক পেতে শুতে।"

নীতিশিক্ষা:

আগে বন্ধুর সঙ্গে কথা বল।

বন্ধুদের কাছে সব সমস্যারই সহজ সমাধান আছে। দেখা হওয়া, কথা বলা জরুরী। তাই দূরে থাকুন কিন্তু touch এ থাকুন।

ফ্রী এর অফার

দরজা খুলতেই দেখা গেলো প্রতিবেশি সুন্দরী ডিভোর্সি মহিলা সেজেগুজে অপ্সরা রূপে দন্ডায়মান!

মহিলাটি বললো - একাকীত্ব আর সহ্য হচ্ছে না... আমারও ইচ্ছে করছে নাইট ক্লাবে গিয়ে ড্রিঙ্কস, ডান্স ও ডিনারের সাথে life enjoy করতে.... আপনি কি আজ রাত free আছেন? 😀😀

হৃদপিন্ডের দ্রুত স্পন্দন সংযত করে লাজুক মুখে ভবেশবাবু বলে দিলেন হ্যাঁ -😍

মহিলাটি বললো- গুড.... তাহলে আজ রাত আমার বাচ্চাটাকে একটু খেয়াল রাখবেন প্লিজ, আমি ভোরবেলা চলে আসবো! 😁😁

Note - Please read the instructions carefully before saying " Yes".. All free offers come with hidden terms and conditions.😂😂😂

বেতন

Sir, আমার বেতন বাড়ান।

Boss : সম্ভব না।

- তাহলে আগামীকাল থেকে আমাকে

বিকাল ৫ টার পর ছুটি দিতে হবে!

Boss : কেন?

- আমি সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাতে, অটো রিকশা চালাবো।

কারণ, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এই

বেতন দিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্টকর।

Boss : Ok, তবে অটো চালাতে চালাতে মধ্যরাতে যদি তুমি ক্ষুধার্ত হয়ে যাও,

শ্রীরামপুর রেলস্টেশনের দক্ষিন পাশে আইসো! -কেন?

Boss : মধ্যরাতে আমি ঐখানে পরটা

তরকারি বিক্রি করি! 😂😂😂

Monday, 19 July 2021

সাহচর্যের প্রভাব

1. স্ত্রীর পাশে 1-মিনিট বসুন
বুঝতে পারবেন জীবন বড় কঠিন.
2. 2-মিনিট মাতালের কাছে বসুন
আপনি বুঝতে পারবেন জীবন খুব সহজ।
3. সাধুদের সাথে 3-মিনিট বসুন
আপনার সবকিছু দান করে অবসর নিতে ইচ্ছে করবে।
4. রাজনীতিবিদের সাথে 4-মিনিট বসুন
বুঝবেন আপনার পড়াশুনা সব বেকার।
5. একজন জীবন বীমা এজেন্টের সাথে 5-দশ মিনিট বসুন
বুঝবেন বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।
6. একজন ব্যবসায়ীর সাথে 6-মিনিট বসে থাকুন
আপনি বুঝতে পারবেন আপনার উপার্জন কিছুই না।
7. একজন বিজ্ঞানীর সাথে 7-মিনিট বসুন
আপনি বুঝতে পারবেন আপনার মধ্যে খারাপটা আপনার অজ্ঞতার কারণে।
8. একজন ভালো শিক্ষকের সাথে 8-মিনিট বসুন
আপনি একজন ছাত্র হয়ে ফিরে আসতে চাইবেন।
9. একজন কৃষক বা শ্রমিকের সাথে 9-মিনিট বসে থাকুন
আপনি বুঝতে পারবেন আপনি কঠোর পরিশ্রম করেন না।
10. একজন সৈনিকের সাথে 10-মিনিট বসুন
আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কাজ এবং ত্যাগ অত্যন্ত ঘৃণ্য।
11. অর্থীকে নিয়ে দশ এগারো-মিনিটের জন্য শ্মশানে যান
মনে হবে জীবনের সবই মায়া, হাল ছেড়ে দিন।
12. কিন্তু একজন * প্রকৃত বন্ধু ইতিবাচক ব্যক্তির সাথে দশ-মিনিট বসুন
এবং মনে হবে আপনার জীবন স্বর্গের চেয়েও সুন্দর।

 🙏

খুঁটি

কোনো গাধাকে খুঁটোর সঙ্গে বেঁধে রাখলে,, গাধাটি মেজাজ হারিয়ে,, খুঁটো উপড়ে নিয়ে,, কোথাও পালিয়ে যেতে পারে।। 

এমন ঘটনার হাত থেকে নিস্তার পেতে,, বহু যুগ আগে,, মানুষ একটি নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করে।। 

খুঁটোর পরিবর্তে,, দুটো গাধাকে পরস্পরের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হতো।। গাধার চরিত্র হলো ভিন্নধর্মী।। একটা গাধা উত্তর দিকে যেতে চাইলে,, অন্যটা দক্ষিণ দিকে যাবে।। 

এক গাধা ছুটে পালাতে চাইলে,, অন্য গাধা 
ধুপ করে বসে পড়বে!!

বুদ্ধিমান মানুষ,, দুটো গাধাকে এক দড়িতে বেঁধে রাখার এই পদ্ধতি অবলম্বন করে,, গাধা পালানোর হাত থেকে রক্ষা পেতে থাকে।।

*

*

*

*

*

কথিত আছে যে,, 
এই পদ্ধতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে,, আমাদের পূর্বপুরুষদের,, বিবাহের কথা 
মাথায় আসে ।।

😀😀😀😀😀😀

সোনার মালিক

এক দম্পতি নিজের সদ্যোজাত ৩ কিলো ওজন সন্তানের জন্য খুবই খুশী এবং সদ্যোজাত ছেলেটির নাম রাখলেন "সোনা"

সেন বাবু এই আনন্দ সামলাতে না পেরে সোজা পত্রিকার এডিটরকে জানালেন যে তিনি ৩ কিলো ওজনের সোনার মালিক হয়েছেন। 

আর কি..!!
এই রকম একটা অতি বিশিষ্ট রোমাঞ্চকর সংবাদ শুনে এডিটর নিজের বিশেষ সাংবাদিককে "সেন বাড়ী"তে ইন্টারভিউ নেবার জন্য পাঠিয়ে দিলেন..।

যখন সাংবাদিক পৌঁছালেন,
সেন বাবু বাইরে গিয়েছিলেন এবং গিন্নী একলা ঘরে ছিলেন।
সাংবাদিক :- মিঃ সেন বাবু কি এখানে থাকেন??
গিন্নী :- হ্যাঁ।
সাংবাদিক :- উনি কি বাড়ি আছেন?
গিন্নী :- না, উনি বাইরে গেছেন।
সাংবাদিক :- এটা কি সত্যি যে উনি ৩ কিলো ওজনের সোনার মালিক হয়েছেন ?
গিন্নী :- (মজা টি বুঝতে পেরে) হ্যাঁ, তাইতো।
সাংবাদিক :- আমি কি ওই জায়গাটি দেখতে পারি যেখান থেকে এটি পাওয়া গেছে ?
গিন্নী :- আমি দু:খিত, কারণ সেন বাবুর আপত্তি আছে। তাছাড়া জায়গাটি খুব গোপনীয়।
সাংবাদিক :- জায়গাটি কি অনেক দূরে ?
গিন্নী :-  না, খুবই কাছে এবং সহজেই যাওয়া যায়।
সাংবাদিক :-  কত বছর ধরে মিঃ সেন বাবু এই গর্তে খোড়া খুড়ি করছিলেন?
গিন্নী :- এই প্রায় ২ বছর হলো।
সাংবাদিক :- গর্ত টি কি খুব গভীর ?
গিন্নী :- বলতে পারেন...
সাংবাদিক :- কোন সময় মিঃ সেন বাবু সচরাচর খোড়া শুরু করেন ?
গিন্নী :- উনি বেশিরভাগ সময় রাতেই খুঁড়তেন, সময় পেলে দিনেও খুঁড়তেন।
সাংবাদিক :- উনি কি এর উপর খুব পরিশ্রম করেন?
গিন্নী :- সে আর বলতে!! কি ঘাম ই না হয়।
সাংবাদিক :- মিঃ সেন বাবুই কি প্রথম খোড়েন ?
গিন্নী :- এর আগেও দু/চার জন খুঁড়েছিলেন তাঁরা কিছুই পাননি!
সাংবাদিক :- আপনি কি করে জানেন যে আর কেউ ওনার আগে খুঁড়েছিলেন ?
গিন্নী :- আমি ভাল করে বলতে পারি কারন ওটি আমার জায়গা।
সাংবাদিক :- ওহঃ!! বুঝলাম, কিন্তু আপনি কি জায়গাটি মিঃ সেন বাবুর কাছে বেচে দিয়েছেন?
গিন্নী :- না, কিন্তু আপাতত উনিই আইনত জায়গাটির মালিক।
সাংবাদিক :- মিঃ সেন বাবু কি এই কাজে কারোর সাহায্য নেন?
গিন্নী :- হ্যাঁ, আমি ওনার নিচে কাজ করি....
সাংবাদিক :- কখনও আপনার মনে হয় উনি জায়গাটি বেচে দিতে পারেন ?
গিন্নী :- আমার মনে হয়না কারন উনি খুব উপভোগ করেন এর উপর কাজ করতে।
সাংবাদিক :- আমি কি ওই ৩ কিলো ওজনের সোনাটি দেখতে পারি একটু ?
গিন্নী :- হ্যাঁ, নিশ্চয়ই......
গিন্নী রিপোর্টারকে সদ্যোজাত শিশুটি দেখালেন...
সাংবাদিক মৃত প্রায়.....😂😂😂

Tuesday, 13 July 2021

টিভি সিরিয়াল

বেশ কয়েকদিন আগের কথা, এক পরিচিতের  বাড়িতে গিয়েছি মায়ের সাথে। সন্ধ্যা সাতটা, টিভিতে তখন যথারীতি পাড়া কাঁপানো সিরিয়াল "শ্রীময়ী" চলছে। কাহিনীটা সবাই জানেন। সিরিয়ালে শ্রীময়ী একজন মধ্যবয়সী মহিলা,বড়বড় তিন ছেলেমেয়ের মা। স্বামী এই বুড়োবয়সে ডিভোর্স দিয়ে অফিসের কলিগ জুনকে বিয়ে করেছে। এইদিকে শ্রীময়ীর পুরোনো প্রেমিক আর চরম হ্যান্ডসাম সাথে বড়লোক রোহিত সেন রণে বনে জলে জঙ্গলে যেখানে বিপদে পড়বে আমাকে স্মরণ করিবে,আমি ছুটিয়া জুটিয়া যাইবো টাইপের মহাপুরুষ হয়ে শ্রীময়ীর জীবনে আসে। 
    যাইহোক, তো আমি আর মা যথারীতি বসে আছি সেই আত্মীয়ার বাড়ি।কিন্তু ওনার কথা বলার সময় নেই, যাষ্ট হাঁ করে গিলছেন সিরিয়াল। ব্যাপারটা এই, "তোমরা এই টাইমে যখন এসেছো তখন বসতে হবে বাপু। আগে শ্রীময়ী তারপর অন্য কিছু। বাকি দুনিয়া যায় ভার মেঁ। "
    হঠাৎ চিৎকার " যা যা চলে যা, চলে যা। ওরা তোকে কিছুই দেবেনা। চলে যা ওর সাথে, নিজের মতো করে বাঁচ। আমরা তো আর পারলামনা। "
   মা ফ্যালফ্যাল করে মহিলার দিকে তাকিয়ে। পিলে চমকে উঠেছে আমার তখন, কোথায় যাবো? কেন যাব? কার সাথে যাব? নিজের মতো বাঁচবো শুনলে মাবাবা দূর করে দেবে বাড়ি থেকে ভেবে ভেবে আমি তখন আকুল যখন মহিলা টিভিতে বিজ্ঞাপনের বদন্যতায় অমায়িক স্বরে জানালেন " শ্রীময়ীকে বলছিলাম। রোহিত সেনের সাথে নতুন করে সংসার করো। কেন সমাজের কথা ভেবে নিজেকে কষ্ট দেবে? "
   মায়ের রিয়্যাকশন জানিনা। আমি তো বস পারলে মহিলাকে জড়িয়ে ধরি, কিন্তু খারাপ দেখায়। উফ্ উফ্  কি উচ্চমানসিকতা! যদি শ্রীময়ী দেখে এমন সমাজের উন্নতি হয় তো আমি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন রাখতেও রাজি যাতে টিভিতে ২৪ঘন্টা শ্রীময়ী চলে দেশ ও দশের উন্নতির জন্য। 
     কিন্তু, কিন্তু। কাহানী মেঁ টুইস্ট আসলো কয়েকমাস পরে।এইবার তিনি এসেছেন আমাদের বাড়ি, আমি তো উনাকে নিজের রোল মডেল ভেবেই নিয়েছি ততদিনে। একথা সে কথায় হঠাৎ শুনি বলছেন "জানো বৌদি আমাদের পাশের বাড়ির অল্পবয়সী ডিভোর্সী মেয়েটার কথা বলেছিলাম না? ছোটো একটা বাচ্চা আছে যার? কি বলবো রোজ বাড়িতে একটা ছেলে আসে, বলে দু সম্পর্কের দাদা। দাদা না ছাই! ছিঃ ছিঃ ছিঃ কি চরিত্র দেখেছো? এমন মেয়ের স্বামী টিকবে কি করে বলো? "
      আমার কথা আর কিচ্ছু কানে যাচ্ছেনা। মানে? এই তো কদিন আগে শ্রীময়ীকে মুভ অন করতে বলছিলো, যেই নিজের পরিচিতের মধ্যে ঘটলো অমনি ১৮০ ডিগ্রি পাল্টি?how??!!! 
    ঐদিন একটা কথা বুঝেছিলাম। মানুষ সিনেমা সিরিয়াল দেখে যে ঘটনায় বাহবা দেয়? ঠিক সেই ঘটনাটাই যদি ঘটে বাস্তবে? মানতে পারেনা। 
    আচ্ছা আরেকটা বিখ্যাত সিরিয়াল হলো খড়কুটো।কাহিনী কিছুই না, বড়লোকের বিশ্বন্যাকা( যে নাকি বায়োলজিক্যালি কি করে মানুষ প্রেগন্যান্ট হয় তাও জানেনা। ভাবে মানুষ গাছে হয়।)বিগড়ে যাওয়া ফেল করা এক মেয়ের বিয়ে হয় সায়েন্টিস্ট এক মধ্যবিত্ত বাড়ির ছেলের সাথে। সেই বাড়ির লোকের ওদের ঘরে আড়ি পাতা ছাড়া কোনো কাজকর্ম নেই, আর ছোটো পোশাক গায়ে শ্বশুরবাড়িতে মেয়েটা আলফাল  কথা বলে বেড়ায়।আর শ্বশুরবাড়ির লোক তাকে মাথায় তুলে নাচে। এই সিরিয়ালের ন্যাকা নায়িকা মানে গুনগুনকে দেখে আমার বাড়ির লোক অবদি পাগল। আমি ভাবি অন্য কথা, আচ্ছা ধরুন আপনি মধ্যবিত্ত মফস্বলের মানুষ। ছেলের বৌ হটপ্যান্ট পরে বাড়িতে ঘোর,আপনি এতটাই মুক্তমনা তো যে মেনে নেবেন? আর বাড়ির বৌ এর কোনো দোষ না দেখে মাথায় তোলা?? এও হয়???!!!  আমার এক পরিচিত কাকিমা  শুনেছি এই সিরিয়াল না দেখলে অন্নস্পর্শ করেননা। তাঁরই আবার তাঁর পুত্রবধূর সাথে চরম অশান্তি। কারণ? কারণ একটাই বৌ টি নাকি কাজ করেনা। ইশারা কাফি হেঁ  মেরে দোস্ত। 
    বহু মণিমুক্ত ছড়িয়ে আছে, যা দেখে মানুষ হুটহাট মুক্তমনা হয়ে যাচ্ছে। যমুনাঢাকি না কি যেন! মেয়েটি সারাদিন চরম মেকাপ করে ঢাকা বাজায়।গঙ্গারাম সিরিয়ালে ছেলেটি ধুতিপাঞ্জাবি  গায়ে সরল মন নিয়ে রূপম ইসলামের গান গায় আর বৌ এর হাতে মার খায়। 
     আমি ভাবি অন্যকথা, আমার বাড়িতে খেলাঘর নামক এক দুনিয়া বদলে দেওয়া সিরিয়াল চলে।গুন্ডা নায়ক হুট করে একদিন বিলেত ফেরত এক মামণিকে  রাস্তায় সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছে। সেই মেয়ে আবার বস্তিতে থাকতেও চলে এসেছে, একফোঁটা ইংরেজি ওয়ার্ড না বলে। আর সবচাইতে কেলেঙ্কারির কথা হলো গুন্ডা নায়ক নাকি হেব্বি পড়াশুনায় ছিলো। বুকে আঘাত পেয়ে গুন্ডা হয়েছে। বৌদি সিরিয়াল দেখে বলে "দেখ,কি আঘাত পেলো ছেলেটা।আহা "
    সিঁদুর পরানো ছাড়ুন।আমি ভাবছি অন্য কথা, স্ট্যাটাসে একটু কম হলে মানতে পারেননা। এইদিকে আপনার মেয়ে যদি পাকা বাড়িতে কোনও ভালো ছেলেকেও বিয়ে করে চলে যায়, জীবনে মুখ দেখবেন? 
     টিভি সিরিয়াল, সিনেমায় যে চরিত্রগুলোকে আমরা রোল মডেল ভাবি? অ্যাডমায়ার করি?ভালোবাসি? আসল কথা তো এই যে সেই চরিত্র বাস্তব হয়ে আমাদের চারপাশে জীবন্ত হয়ে উঠলে মেনে নিতে পারিনা। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যতটাই  মুক্তমনা, ততটাই একটা অন্ধকূপ মন বাস্তবটাকে মানতে শেখায়নি। আসলে আমাদের সবার মধ্যে দ্বৈতসত্ত্বা  বাস করে। আমরা কল্পনার জগতের মতো যদি বাস্তবেও এতটাই বুঝদার হতাম কত সম্পর্ক হয়তো আজও বেঁচে যেতো, কত মানুষ হয়তো হারিয়ে যেতোনা।টিভি সিরিয়ালকে দোষ দিই আমরা? 
 মাল্টিপ্লেক্সে  প্রাক্তন সিনেমাটা দেখেছিলাম যাদের সাথে তারা তখন সম্পর্কে ছিলো। মনে আছে হলে বসেই বান্ধবীটি নিচু স্বরে বললো "ইগোটা সব শেষ করে দেয় বুঝলি? কাউকে তো এগোতে হবে। নইলে সম্পর্ক টিকবে কি করে? "
     ওদের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছে একবছর হলো।কম্প্রোমাইজ করা হেরে যাওয়া নয় যাওয়া এই বিখ্যাত ডায়লগ নিজের ছবির ক্যাপশানে রেখেও, কেউ সেদিন একফোঁটা কম্প্রোমাইজ করেনি।

লিপিড প্রোফাইল

একটি সুন্দর গল্প ...
( লিপিড প্রোফাইল কে সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে ) ...
**********************************

আমাদের শরীর যদি একটা ছোট্ট শহর হয়, তবে এই শহরের প্রধান সমাজবিরোধী হচ্ছে *কোলেষ্টেরল* । এর সাথে কিছু সাঙ্গপাঙ্গ আছে। তবে একেবারে ডানহাত হলো *ট্রাইগ্লিসারাইড* । এদের কাজ হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় মাস্তানি করে রাস্তা ব্লক করা আর শহরকে ব্যতিব্যস্ত রাখা । 
*হৃৎপিন্ড* হলো এই শহরের প্রাণকেন্দ্র । শহরের সব রাস্তাগুলো এসে মিশেছে সেই প্রাণকেন্দ্রে । সমাজবিরোধীর সংখ্যা বেশী হলে কি হয় আপনারা সবাই জানেন । এরা নিত্য নতুন হাঙ্গামা বাধিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্রকে অচল করে দিতে চায় । 
আমাদের শরীর নামক শহরে কি পুলিশ নেই ? যারা মাস্তানদের ক্রসফায়ার করবে , তাদের ছত্রভঙ্গ করে জেলে‌ ভরবে ?
হ্যাঁ, আছে। তার নাম *H D L* এই ব্যক্তি পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানী করা এসব মাস্তানদের রাস্তা থেকে তুলে এনে জেলে ভরে রাখে । জেল মানে *লিভার* । *লিভার* এইগুলোকে বাইল সল্ট বানিয়ে শহরের পয়ঃ নিষ্কাশন লাইনের মাধ্যমে ( পায়খানার সাথে ) শহর থেকে বের করে দেয়। কি অদ্ভুত শাস্তি মাস্তানদের !
আর একজন আছে *L D L*। তিনি‌ আবার ক্ষমতালোভী। তিনি ক্ষমতার জোরে তাদের জেলখানা থেকে তুলে আবার রাস্তায় বসিয়ে দেন। মাস্তানদের মাস্তানীতে পুরো শহরে জ্যাম লেগে যায় । 
*H D L* হায় হায় করে দৌড়ে আসে। কিন্তু সে *L D L* আর মাস্তানদের যৌথ শক্তির সাথে পেরে ওঠেনা। পুলিশের *(H D L*) সংখ্যা যত কমে মাস্তানরা ততই উল্লসিত হয় ।

 শহরের পরিবেশ হয়ে ওঠে অস্বাস্থ্যকর ।

এমন শহর কার ভালো লাগে বলুন ?

আপনি কি মাস্তানদের কমিয়ে পুলিশ বাড়াতে চান ? *তবে হাঁটুন।*
আপনার প্রতি কদমে পুলিশ পোস্টিং *(H D L)* বাড়বে - যত পুলিশ বাড়বে , ততই *Cholesterol* (মাস্তান) *Triglyceride* (মাস্তানের চামচে) , *L D L* ইত্যাদি সমাজবিরাধী কমবে ।

 আপনার শহর *(শরীর)* প্রানচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।
আপনার শহরের প্রানকেন্দ্র *(হার্ট)* মাস্তানদের অবরোধ *(হার্ট ব্লক )* থেকে বাঁচবে । 
আর শহরের প্রানকেন্দ্র *(হার্ট)* সুস্থভাবে বাঁচা মানে আপনিও সুস্থভাবে বাঁচবেন ।

তাই সময় বা সুযোগ পেলেই শুরু করুন 🚶🏾‍♂🚶🏻‍♀🚶🏾‍♂🚶🏻‍♀

GST

This is height of all creativity...
Teacher: How many letters are in the English alphabet?

Student:  23 without GST
                 26 with GST

😅😀

ওয়ার্ড ও ফিগার

আপনারা কি জানেন ব্যাংকের চেকে টাকার অঙ্ক ওয়ার্ড ও ফিগার দুটোতেই লেখা বাধ্যতা মূলক কেন? না জানা থাকলে নিচের লেখাটি পড়ুন।

বিকেল ৪.৩০ এ ব্যাঙ্ক দিনের মতো বন্ধ হবার সময় ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অত্যন্ত মিষ্টি,সুরেলা কণ্ঠে এক মহিলার ফোন পেলেন। ফোনের ওপার হতে সেই লাস্যময়ী রমণী পাহাড়ের ওপর থেকে ঝরে পড়া ঝর্নার মতো কলকলিয়ে বললেন,"স্যার, আমার দুলক্ষ টাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। আমি দশ মিনিটের মধ্যে চেক নিয়ে আসছি, আপনি কি আমার জন্যে একটু অপেক্ষা করবেন?
মহিলার সুমধুর কণ্ঠস্বরে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অভিভূত হয়ে গেলেন আর ক্যাশিয়ারকে দুলক্ষ টাকা রেডি রাখার আদেশ দিলেন।

বাড়ি ফেরার সময় ক্যাশিয়ার গজগজ করতে করতে দু লাখ টাকা রেডি করতে লাগলেন।

এরই মধ্যে এক বেহিসাবি মোটা,বেঢপ যৌবন অস্তগামী এক মহিলা থপাস থপাস করে ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের অফিসের দরজা ঈষৎ ফাঁক করে সেই সুরেলা গলায় বললেন,"স্যার ভিতরে আসতে পারি"? ম্যানেজার এতক্ষণ যে এক সুন্দরী মহিলার চেহারা মানসলোকে দর্শন করছিলেন...কিন্তু বাস্তবের এই বেঢপ,যৌবন অস্তগামী মহিলাকে দেখে ক্ষণকালের জন্যে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। পরক্ষনেই নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন,"সরি, ম্যাডাম আজ ক্যাশ ক্লোজ হয়ে গেছে আপনি কাল আসুন"।
"এটা তো ফোনেই বলতে পারতেন"- ঝংকার দিয়ে গটমটিয়ে মহিলা ব্যাঙ্ক থেকে বেরিয়ে গেলেন।

ক্যাশিয়ার যিনি টাকা রেডি করে বসেছিলেন- বিরক্ত বদনে ম্যানেজারকে বললেন," যদি টাকা দেবেনই না তাহলে আমাকে আটকে রাখলেন কেন"?

ম্যানেজার বললেন," ব্যাঙ্কের আন্তর্জাতিক নিয়মই হচ্ছে- If words and figure do not match, payment will be declined"

Tuesday, 6 July 2021

ছোটিসি কাম

শুনশান রেল স্টেশন। দিনের শেষ ট্রেনটি প্লাটফর্ম ছেড়ে চলে গেছে। এক বৃদ্ধা বসেই আছেন। জানেন না পরের ট্রেনটি আসবে পরের দিন। এক কুলির নজর গেল সেদিকে। 
- মাইজি, তুমি কোথায় যাবে?
- দিল্লি যাব বাবা ছেলের কাছে।
- আজকে তো ট্রেন আর নেই মাইজি।
বৃদ্ধার অসহায় দৃষ্টি। কুলিটির বোধহয় দয়া হল।
- মাইজি তোমাকে ওয়েটিং রুমে রেখে আসি। আমার সঙ্গে চল।
- তাই চল বাবা। কি আর করব!
- তোমার ছেলে বুঝি দিল্লিতে থাকে?
- হ্যাঁ বাবা।
- কি করে?
- রেলে কি যেন একটা কাজ করে!
- নামটা বল দেখি। যোগাযোগ করা যায় কিনা দেখছি।
- ও তো আমার লাল। সবাই ওকে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বলে ডাকে যে।

তিনি তখন ভারতীয় রেলওয়ের ক্যাবিনেট মিনিস্টার। মুহূর্তের মধ্যে গোটা স্টেশন তোলপাড়। কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে এলো সালুন (saloon car)। বৃদ্ধা অবাক। তাঁর ছেলের এত ক্ষমতা!

লাল বাহাদুর কিছুই জানতেন না। সমস্ত আয়োজন করেছিল ভারতীয় রেল।
পরিশেষে একটিই কথা, এমন মা না হলে অমন ছেলে হয়! ****এই রকম নেতা এখন দুর্লভ, এরা ক্ষমতা প্রতিপত্তির জন্য পদে বসেন নি,এরাই পদকে অলংকৃত করেছেন। 
ছেলের দেখা পাওয়ার পর 
তিনি ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন - "বেটা , তু রেলমে কেয়া কাম করতে হো , এলোগ পুছা তো ম্যায়নে কুছ নেহি বোলপায়া ।"
তার উত্তরে ছেলে বলেছিলেন - " ছোটিসি কাম মা "। 🙏🙏🙏

Popular Posts