যুবক : আঙ্কেল কটা বাজে ?
আঙ্কেল : বলবো না !
যুবক : কেন ?
আঙ্কেল : আরেকদিন যে কোনও জায়গায় দেখা হলে জিজ্ঞাসা করবে তাই।
যুবক : করতেই তো পারি !
আঙ্কেল : সে জন্যই বলব না
যুবক : কারণ টা কি ?
আঙ্কেল : এই ধর এই ভাবে কথা বলতে বলতে আমরা পরিচিত হবো !
যুবক : হতেই তো পারি আঙ্কেল !!
আঙ্কেল: হঠাৎ আমার বাড়ির সামনে দিয়ে যাবে
যুবক : যেতেই তো পারি !
আঙ্কেল : চোখের সামনে পড়লে বাড়িতে আসতে বলবো ভদ্রতার খাতিরে
যুবক : এটা তো যে কোন ভদ্রলোকই বলবে !!
আঙ্কেল : বাসায় এনে বসতে দেব,তারপর চা এনে দেব!
যুবক : এটাই তো স্বাভাবিক !
আঙ্কেল : তারপর তুমি বলবে চা টা দারুন হয়েছে কে তৈরি করছে ??
যুবক : ভাল হলে তো বলতেই পারি !
আঙ্কেল : আমি বলবো আমার মেয়ে, তারপর তুমি বলবে দেখি আপনার মেয়েকে, এত ভাল চা বানায় !
যুবক : তাকে একটা ধন্যবাদ জানাইতেই পারি !
আঙ্কেল : ধন্যবাদ জানালে হাই, হ্যালো এসব হবে, কিছু কথাবার্তা হবে!
যুবক : হতেই তো পারে!
আঙ্কেল : তারপর মাঝে মাঝে আমার বাড়ি আসতে থাকবে !
যুবক : আসলে তো সমস্যা হবে না !
আঙ্কেল : এক সময় ভালোবাসা হবে, তোমার মিষ্টি কথায় আমার মেয়ে তোমার প্রেমে পড়তে পারে !
যুবক : কি যে বলেন আঙ্কেল লজ্জা লাগে !
আঙ্কেল : এক সময় বিয়ের জন্য প্রস্তুত হবে !
যুবক : প্রেম করলে তো বিয়ে করবো স্বাভাবিক !
আঙ্কেল : আমার কাছে চাইতে আসবে !
যুবক : গুরুজনের আশির্বাদ ছাড়া কি হয়, অবশ্যই আশির্বাদ চাইতে আসবো !
আঙ্কেল : তারপর আমার মেয়ে বলবে রাজি হয়ে যাও !
যুবক : আমাকে ভালবাসেতো তাই !
আঙ্কেল : SHUT UP
আমি এমন ছেলের কাছে মেয়ে বিয়ে দেব না যে একটা ঘড়ি কিনতে পারে না।
Monday, 20 August 2018
কটা বাজে ?
Friday, 17 August 2018
ঘোমটা
আমার বৌমা আমায় দেখে ঘোমটা দেয় না
হোক আধুনিকা, তাই বলে কি....!
খোকাও দেখেছি এই বিষয়ে বৌমা কে কিছু বলে না।
বেড়াতে বেরোয় সপ্তাহ শেষে
সে বেরোক, তাই বলে জিন্স প্যান্ট পরে!
পুরোনো দিনের মানুষ তো, বড্ড চোখে লাগে।
আধুনিকতার একি আদিখ্যেতা বুঝি না বাপু,
বড়োদের সম্মান দেওয়াটা ঠিক যেন ঠিক আসে না ওদের,
মোবাইল ফোনটা আসার পর সমাজটা উচ্ছন্নে গ্যাছে একেবারে।
আমার দাদুভাইকেও ওদের মতো মানুষ করছে
খটমট ইংরাজী বলে, ফোনে কিসব করে
কম্প্যুটার খুলে গেম খেলে কিসব,
আমি যেভাবে খোকাকে মানুষ করেছি
তার ধারেপাশেও যায়না ওদের অভিভাবকত্ব।
এক রবিবার আমাকেও জোর করে নিয়ে গেল সিনেমা দেখাতে
গিয়েই ঢুকে পড়ল হলঘরে, টিকিট নাকি ফোনে রয়েছে
বিশাল শীততাপ নিয়ন্ত্রিত মোটা গদির চেয়ার ভরা হলঘর,
খোকা কিনে আনল প্রকান্ড এক ঠোঙায় ভুট্টাভাজা
বলল খেয়ে দেখো বাবা এটা পপকর্ন, তা বেশ খেতে ছিল।
আরামে বসে সিনেমা দেখলাম, মন টা ফুরফুরে হয়ে গেল।
সিনেমা দেখে বেরিয়ে এক রেঁস্তোরাতে খেতে নিয়ে গেল
দারুন সাজানো পরিবেশ, চেয়ারের জায়গায় সোফা,
আশেপাশে সবাই চামচে খাচ্ছে, হাতে খেতে ইতস্তত করছি
এমন সময় দাদুভাই বলল আমরাও আজ দাদুর মতো হাতে খাই।
খাওয়া সেরে বাড়ি ফিরে শুয়েছি, পেট ভার
এতো মশলা দেওয়ার খাবারের অভ্যেস নেই আর
শুয়ে এপাশ ওপাশ করছি অস্বস্তিতে
এমন সময় বৌমা এলো জোয়ানের আরক নিয়ে
বলল খেয়েন নাও বাবা, আরাম পাবে।
লাইট বন্ধ করে শুয়ে একটা কথায় মনে হল,
হোক না আমার বৌমা ঘোমটা ছাড়া
খোকা বেরোক না সপ্তাহ শেষে
দাদুভাই খেলুক না কম্প্যুটার গেম
ভালোবাসাটা তো আর আমার প্রতি কমেনি,
আধুনিক না হতে পারাটা আমার গোঁড়ামো।
মেকি ঐতিহ্যের ঘোমটা সরিয়ে দেখলাম
আধুনিক জগৎটাও ঠিক আমাদের জগৎটার মতোই।।
Tuesday, 7 August 2018
পনেরোই আগস্টের পরের দিন
প্রতি বছর পনেরোই আগস্টের পরের দিন
পাগলটাকে দেখা যায় এ গলিতে ও গলিতে ,
এ রাস্তায় ও রাস্তায় ,এ মোড়ে ও মোড়ে ,
ডাস্টবিনের পাশে ,নর্দমার ধারে।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চষে বেড়ায়
শহরের এ কানা থেকে সে কানা,
কাঁধে বস্তা নিয়ে ।
সকালবেলা কৌতুহল বশে
জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তোমার নাম কী?
বলেছিল ক্ষুদিরাম ।
দুপুরে দেখলাম
পোষ্ট অফিসের সামনে ,
ডাস্টবিনে হাত ঢুকিয়ে কী সব খুঁজছে ,
বললাম ,কী খুঁজছ ক্ষুদিরাম?
উত্তর দিল,
আমি ক্ষুদিরাম নই ,প্রফুল্ল চাকী।
অবাক হলাম ।
বিকালে আবার দেখা ,
বললাম, প্রফুল্ল চাকী চা খাবে?
ও বলল আমার নাম কানাইলাল ।
এবার বিস্ময়।
সন্ধের মুখে বড় রাস্তার মোড়ে
জটলা দেখে থমকে দাঁড়ালাম।
জিজ্ঞাসা করলাম ,কী হয়েছে?
ভীড়ের থেকে একজন বলল,
একটা চোর ধরা পড়েছে।
ভীড় ঠেলে এগিয়ে গিয়ে দেখলাম ,
ল্যাম্প পোষ্টে বাঁধা
সকালের ক্ষুদিরাম
দুপুরের প্রফুল্ল চাকী
বিকালের কানাইলাল।
পাশে মাল বোঝাই বস্তা,
যা ছিল সকালে খালি।
একজন বলল ,ঐ বস্তায় আছে
চুরি করা জিনিস ।
খটকা লাগল ,জিজ্ঞাসা করলাম ,চুরি করেছ?
ও নির্বিকার, কোনো উত্তর দিল না।
আমি বস্তার মুখের বাঁধন খুলে
মাটিতে ঢেলে দিলাম ,
বেরোল ছেঁড়া ,ফাটা ,দুমড়ানো ,মোচড়ানো,
প্লাস্টিকের ও কাগজের যত জাতীয় পতাকা ।
রাস্তা ,ডাস্টবিন ,নর্দমা থেকে কুড়িয়ে
ভরেছে বস্তায় ।
মুহূর্তে ভীড় হল অদৃশ্য,
চোখ ভরা জল নিয়ে
বাঁধন খুলে দিলাম পাগলের।
আমার মুখের দিকে তাকাল একবার,
তারপর মৃদুস্বরে বলল,
যেন কেউ পা দিয়ে মাড়িয়ে না যায় তাই,
তারপর আবার পতাকা গুলো বস্তায় ভরে নিয়ে
চলে গেল দূর থেকে দূরে,
আমি দাঁড়িয়ে রইলাম স্থানুর মতো
অপার বিস্ময় আর যন্ত্রণা বুকে নিয়ে ।
আপনাদের কাছে একটাই অনুরধ যে জাতিয় পতাকা রাস্তায় পোরে থাকলে ওটা দেখে চোলে যাবেন না...
জাতিয় পতাকা টাকে তুলে ভালো একটা নিদিষ্ট জাগায় রাখবেন.... 🇮🇳🇮🇳
Tuesday, 31 July 2018
ভদ্র বাঙালি
শুনেছি কানাডিয়ানরা নাকি সবথেকে বিনয়ী জাতি, মানে তাদের কথায় কথায় নাকি "সরি" বলার অভ্যেস, কাউকে দুঃখ দিয়ে বা Rudely কথা নাকি বলেননা কখনো, ওদিকে ব্রিটিশদের ইংলিশ শুনলে বুঝবেন যথেষ্ট বিনম্র তারাও, কথায় কথায় যেন বিনম্রতা ও ভদ্রতা ঝরে পরে,
কিন্তু এসব ব্যাপারে আমরা বাঙালিরাও কম কিসে ? আসুন দেখে যাক-
- বাঙালিরা মুখের উপর না বলতে পারে না
তারা বলে " আচ্ছা! দেখছি.."
- বাঙালিরা প্রচন্ড খারাপ থাকলে সেটি বলে না,
বাঙালি বলে "এইতো চলে যাচ্ছে" ।
- সামনে পথ আটকে থাকলে "সামনে থেকে সর বাল, রাস্তা কি তোর বাপের?" না বলে,
বাঙালি বলে "দাদা একটু দেখি" ।
- ওদিকে পেট পুরে সাটিয়ে যাচ্ছেন, সব গোগ্রাসে গিলছে, বাড়ির কত্তার ফাটছে, জ্বলছে, মনে মনে বিস্তর গালাগালি করলেও আপনাকে বলবে " দেখো লজ্জা করে খাবে না কিন্তু, নিজেদের মনে করে চেয়ে-চিন্তে খেয়ো বাপু, ওরে কে আছিস? এদিকে দুটো লেগপিস দে" ..
- বাড়িতে অতিথি এসেছে, ফেরার নাম নেই, বিরক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করলেন, যাওয়ার সময় কিন্তু দিব্যি হেসে বলেন "হেঁ হেঁ দাদা আবার এই গরিবের বাড়িতে আসবেন কিন্তু । এত জলদি যাওয়ার কি আছে? আরো দুটো দিন থেকে যেতে পারতেন... "
- বন্ধুর সাথে অনেক বছর পর দেখা, তাকে গালাগালি দিয়ে গুষ্টি উদ্ধার না করে হেসে বলেন,
"হ্যা! ভাই এখন আর আমাদের চিনবি কেন বল? বড় মানুষ হয়ে গেছিস" .. ।
- বাঙালিরা কোন ভিক্ষুক ভিক্ষা না দিলে/দিতে পারলে চুপচাপ এড়িয়ে যায় না .. বলে "মাফ করবেন" ।
- কোন বড় চাকরি পেলে বা এক্সামে ফাটিয়ে নম্বর পেলে বা অনেক টাকা ইনকাম করলে বাঙালি গর্ব করে না, স্মিত হেসে বলে " এ আর এমন কি?"
- বাঙালিরা বেরোনোর সময় যাই বলেনা, বলে "আসি" এতে শুনতে বিনম্র লাগে ও মাতৃদেবীর আশীর্বাদে বিপদমুক্ত থাকে ।
- ট্রেনে মারাত্মক ভিড়, পা ফেলার জায়গা নেই, কুনোই দ্বারা অবিরত গুঁতো খাওয়া লোকটি কিন্তু গালাগালি দেননা , বলেন না " এই শুয়োরের বাচ্চা সরে দাঁড়া" .. বরং বলেন " দাদা একটু সরে দাঁড়াবেন, সুবিধা হত আর কি" ..
- বারবার ডাকার পরেও সারা না দিলে বাঙালি বলে না " এই কানাদোচা শুনতে পাস না ওয়ারা? .. বাঙালি বলে " ওঁওঁওঁওঁওঁওঁওঁ দাদা শুনছেন?"
- -
এরকম হাজারো বাঙালির বিনম্রতার নিদর্শন দেওয়া যায়। রোজ রোজ রাস্তা-ঘাটে-বাজারে-হাটে-ট্রেনে-বাসে-ভিড়ে বাঙালি তার মহানুভবতার পরিচয় দিয়ে আসছে, তাই বুক ঠুকে বলুন "আমি গর্বিত আমি বাঙালি" 😂✌️
আপনি কি এর মধ্যে কোনটা করেন? বা কোন বিনম্রতার কাজ করেন? কমেন্টে জানান ..
সবার জানা প্রয়োজন, কতটা উৎকৃষ্ট এই বাঙালি জাতি ।
Saturday, 28 July 2018
গান্ধী বধ
সুপ্রীম কোর্টের অনুমতি পাওয়ার পর প্রকাশিত হয় মাননীয় নাথুরাম গোডসের ভাষন --- আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি
(পর্ব - 1) গুগল থেকে সংগৃহীত
-------------------------------------------------------------------------
সুপ্রীম কোর্টের অনুমতি পাওয়ার পর প্রকাশিত হয় মাননীয় নাথুরাম গোডসের ভাষন --- আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি । 60 বছর এটা নিষেধ ছিল! আপনারা সকলেই জানেন --- 30 শে জানুয়ারী, 1948 গোডসে গুলি মেরে গান্ধীজীর হত্যা করেছিলেন। গুলি মেরে উনি ঘটনা স্হল থেকে পালিয়ে যান নি! উনি আত্মসমর্পণ করলেন! গোডসের সঙ্গে আরও 17 জনের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হল। মামলা চলাকালীন প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা হয় যাতে নাথুরাম গোডসে তাঁর বক্তব্য রাখতে পারেন। অনুমতি ত মিলল কিন্তু শর্ত সাপেক্ষ! সরকারের নির্দেশ অনুসারে কোর্টের বাইরে যাওয়া চলবে না। পরে ওনার ছোট ভাই গোপাল গোডসে দীর্ঘদিন মামলা চালানোর পর ---- প্রায় 60 বছর পর অনুমতি পাওয়া যায় সর্ব সমক্ষে রাখার।
1. নাথুরাম ভাবতেন --- গান্ধীজির অহিংসা ও মুসলিম তোষণ নীতি হিন্দুদের কাপুরুষে রূপান্তরিত করে দিচ্ছে। কানপুরে গণেশ শঙ্কর বিদ্যার্থীকে মুসলিমরা নির্মম ভাবে হত্যা করে। আর যে গণেশজী গান্ধীজির ভাব ধারায় প্রভাবিত ছিলেন ---- তাঁর হত্যাকান্ডে গান্ধীজি চুপ রইলেন!
2. 1919 এর জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকান্ডে সমস্ত আক্রোশে ফুঁসছিল। এই নৃশংস হত্যাকারী খলনায়ক জেনারেল ডায়ারের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য গান্ধীকে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু পরিস্কার মানা করে দেন!
3. গান্ধী খিলাফত আন্দোলনকে সমর্থন করে ভারতে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বুনলেন! নিজেকে কেবল মুসলিমদের হিতৈষী হিসাবে আভ-ভাবে বুঝিয়ে দিতেন। কেরালায় মোপলা মুসলিমরা 1500 হিন্দুকে হত্যা 2000 হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করল! গান্ধীজি বিরোধীতা পর্যন্ত করলেন না!
4. কংগ্রেসের ত্রিপুরা অধিবেশনে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস বিপুল সমর্থনে জয়লাভ করেন। কিন্তু গান্ধীর পছন্দের প্রার্থী ছিল সীতা রামাইয়া! সুভাষ চন্দ্র বোসকে পরে বাধ্য করা হয় ইস্তফা দেওয়ার জন্য।
5. 23 শে মার্চ, 1931 --- ভগৎ সিংকে ফাঁসী দেওয়া হয়। সারা দেশ এই ফাঁসী আটাকানোর জন্য গান্ধীকে অনুরোধ করেন। গান্ধী ভগৎ সিং এর কার্যকলাপকে অনুচিত মনে করে এই অনুরোধ রাখেন নি!
6. গান্ধীজি কাশ্মীরের রাজা হরি সিংকে পদত্যাগ করতে বলেন --- কারণ কাশ্মীর মুসলিম বহুল রাজ্য! উনি হরি সিংকে কাশী গিয়ে প্রায়শ্চিত্য করতে বলেন! অথচ হায়দ্রাবাদের নিজামের ক্ষেত্রে চুপ। গান্ধীজির নীতি ধর্ম বিশেষে বদলাত। পরে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের সক্রিয়তায় হায়দ্রাবাদকে ভারতের সঙ্গে রাখা হয়।
!! আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি !!
(পর্ব - 2)
------------------------------------------------------------------------
7. পাকিস্তানে হিন্দু নিধন জজ্ঞ চলছে তখন। প্রাণ বাঁচাতে বেশ কিছু হিন্দু ভারতে চলে আসে। অস্হায়ী ভাবে আশ্রয় নেয় দিল্লীর মসজিদে। মুসলিমরা এর জন্য বিরোধীতা শুরু করে। ভয়ঙ্কর শীতের রাতে মা-বোন-বালক-বৃদ্ধ সকলকে জোর করে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়। নিরব রইলেন গান্ধী!
8. গান্ধী মন্দিরে কোরান পাঠ ও নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করলেন! এর বদলে কোন মসজিদে গীতা পাঠের ব্যবস্থা করতে পারলেন না! অসংখ্য হিন্দু, ব্রাহ্মণ এর প্রতিবাদ করেছিল ---- গান্ধী আমলই দিলেন না!
9. লাহোর কংগ্রেসে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটৈলের জয় হল, কিন্তু গান্ধী জেদ করে এই পদ নেহেরুকে দিলেন। নিজের ইচ্ছা সফল করানোতে উনি সিদ্ধ হস্ত ছিলেন। ধর্না, অনশন, রাগ, বাক্যালাপ বন্ধ করা ---- এই কলা গুলির সাহায্যে যখন তখন ব্লাকমেল করতেন। সিদ্ধান্তের ঠিক ভুলও বিচার করতেন না।
10. 14 ই জুন, 1947 দিল্লীতে অখিল ভারতীয় কংগ্রেস সমিতির বৈঠক ছিল। আলোচনার বিষয় ছিল ভারত বিভাজন। এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে দেশ ভাগের প্রস্তাব গান্ধী সমর্থন করলেন। এই ইনিই একদিন বলেছিলেন ---- দেশ ভাগ করতে গেলে ওনার মৃত দেহের ওপর করতে হবে!
লাখ লাখ হিন্দু মারা গেলেও উনি চুপ থেকেছেন! মুসলিমদের কখনো শান্তি বজায় রাখার আদেশ দেন নি ---- যত আদেশ উপদেশ শুধু হিন্দুদের ওপর!
11. ধর্ম নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশে "মুসলিম তোষণ" এর জন্ম দেন গান্ধী। যখন হিন্দী ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার বিরোধীতা করল মুসলিমরা ---- স্বীকার করলেন গান্ধী!
অদ্ভুত এক সমাধান দিলেন --- "হিন্দুস্তানী" (হিন্দী ও' উর্দুর খিচরি)! বাদশাহ রাম, বেগম সীতা বলার চল শুরু হল!
12. কিছু মুসলমানের বিরোধীতায় মাথা নত করলেন আবার ---- "বন্দে মাতরম" কে জাতীয় সংগীত হতে দিলেন না!
!! আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি !!
(পর্ব - 3)
----------------------------------------------------------------------
13. গান্ধীজি বেশ কয়েকবার ছত্রপতি শিবাজী, মহারাণা প্রতাপ, গুরু গোবিন্দ সিংহকে পথভ্রষ্ট দেশভক্ত বলেছেন! কিন্তু সেখানে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে "কায়দে আজম" বলে ডাকতেন! কি অদ্ভুত না!
14. 1931 এ জাতীয় কংগ্রেস স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা কেমন হবে তা নির্ধারণ করার জন্য একটি কমিটি তৈরী করে। এই কমিটি সর্ব সম্মতিতে ঠিক করেন ---- গেরুয়া বস্ত্রের পতাকা হবে যার মাঝখানে চরখা থাকবে। কিন্তু গান্ধীজির জেদে সেটা তেরঙ্গা করতে হয়! সব ওনারই মর্জির ওপর নির্ভর করত!
15. যখন সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটৈলের উদ্যোগে সোমনাথ মন্দিরের পুননির্মাণের প্রস্তাব সংসদে রাখা হয় ----- তখন উনি বিরোধীতা করলেন! এমনকি উনি মন্ত্রীমন্ডলেও ছিলেন না! কিন্তু অদ্ভুত ভাবে 13 ই জানুয়ারী, 1948 এ আমরণ অনশন শুরু করলেন --- যাতে সরকারী খরচে দিল্লীর মসজিদ তৈরী হয়! কেন এই দ্বিচারিতা? উনি হিন্দুকে হয়ত ভারতীয় ভাবতেনই না! আচ্ছা আদৌ হিন্দু ছিলেন ত?
16. গান্ধীজির মধ্যস্হায় ঠিক হয় ---- স্বাধীনতার পর ভারত পাকিস্তানকে 75 কোটি টাকা দেবে। 20 কোটি শুরুতেই দেওয়া হয়। বাকি ছিল 55 কোটি। কিন্তু 22 শে অক্টোবর, 1947 পাকিস্তান কাশ্মীর আক্রমণ করে! পাকিস্তানের এই বিশ্বাস ঘাতকতার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীমন্ডল সিদ্ধান্ত নেয় বাকী পয়সা আর পাকিস্তানকে দেওয়া হবে না। কিন্তু সেই বেঁকে বসলেন লাঠিধারী! শুরু করলেন আবার ব্লাকমেল --- আবার অনশন। শেষে সরকার বাকি 55 কোটি টাকাও বিশ্বাসঘাতক পাকিস্তানকে দিতে বাধ্য হল!
এইরকম জিন্নাহ ও' অন্ধ পাকিস্তান প্রীতি দেখে বলতে পারি উনি প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপিতা ছিলেন ---- ভারতের নয়। প্রতিটি মুহুর্তে পাকিস্তানের সমর্থনে কথা বলেছেন ---- সে পাকিস্তানের দাবী যতই অন্যায় হোক!
!! আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি!!
(পর্ব 4 )
------------------------------------------------------------------------
আদালতে দেওয়া নাথুরাম গোডসের কিছু বয়ানের বঙ্গানুবাদ।
" আমি ওনাকে অনেক শ্রদ্ধা করি। কিন্তু কোন দেশভক্তকে দেশ ভাগ ও' একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের পক্ষপাতিত্ব করার অনুমতি দিতে পারি না। আমি গান্ধীকে মারি নি ---- বধ করেছি --- বধ। গান্ধীজিকে বধ করা ছাড়া আমার কাছে আর কোন উপায় ছিল না। উনি আমার শত্রু ছিলেন না ---- কিন্তু ওনার সিদ্ধান্ত দেশের বিপদ ডেকে আনছিল। যখন কোন ব্যক্তির কাছে আর কোন রাস্তা থাকে না ---- তখন ঠিক কাজ করার জন্য ভুল রাস্তা নিতে হয়।
মুসলিম লীগ ও' পাকিস্তান নির্মাণে গান্ধীজির সমর্থনই আমাকে বিচলিত করেছে। পাকিস্তানকে 55 কোটি টাকা পাইয়ে দেবার জন্য গান্ধীজি অনশনে বসেন। পাকিস্তানে অত্যাচারের জন্য ভারতে চলে আসা হিন্দুদের দুর্দশা আমাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। গান্ধীজির মুসলিম লীগের কাছে মাথা নত করার জন্য অখন্ড হিন্দু রাষ্ট্র সম্ভব হয়নি। ছেলের পক্ষে মাকে টুকরো করে ভাগ করতে দেখা আমার অসহনীয় ছিল। নিজ দেশেই যেন বিদেশী হয়ে গেলাম।
মুসলিম লীগের সমস্ত অন্যায় আব্দার উনি মেনে চলছিলেন। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম ---- ভারত মাতাকে পুনরায় টুকরো হওয়ার হাথ থেকে ও দুর্দশার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য আমাকে গান্ধীজির বধ করতেই হবে। আর সেইজন্যই আমি গান্ধীকে বধ করেছি।
আমি জানতাম এর জন্য আমার ফাঁসী হবে এবং আমি এর জন্য প্রস্তুত। আর এখানে যদি মাতৃভূমি রক্ষা করা অপরাধ হয় ----- তাহলে এরকম অপরাধ আমি বার বার করব ---- প্রত্যেক বার করব। আর যতক্ষণ না সিন্ধু নদী অখন্ড ভারতের মধ্যে না বাহিত হয় ---- আমার অস্থি ভাসিও না। আমার ফাঁসির সময় আমার এক হাতে কেশরীয় পতাকা ও' অন্য হাতে অখন্ড ভারতের মানচিত্র যেন থাকে। আমার ফাঁসিতে চড়ার আগে অখন্ড ভারত মাতার জয় বলতে চাই।
হে ভারত মাতা --- আমার খুব দুঃখ যে আমি কেবল এইটুকুই তোর সেবা করতে পেরেছি ।"
অবাক পৃথিবী
(১)
প্রখ্যাত এক নাস্তিকবীদ দুঘন্টা ধরে ভগবানের অস্তিত্বহীনতার ব্যাপারে বক্তৃতা দিয়ে মঞ্চ থেকে নেমে গাড়ির দিকে পা বাড়িয়েই ল্যাদলেদে গোবর মারিয়ে বলে উঠলেন "হে ভগবান" .. !
..
(২)
কলেজের প্রথম দিন, হুব্বা সিনিয়রটি জুনিয়রদের কড়াভাবে শাসিয়ে বলল " ফ্রেসার্স পর্যন্ত অনলি ফরমাল পরে আসবি, ভদ্রতা শিখতে হবে তো নাকি?".. সে চলন্ত ভিড় বাসে এক যুবতীকে শ্লীলতাহানি করার দায়ে এখন জেলে .. ।
..
(৩)
মফস্বলের ছোটখাটো নেতা আবার কলকাতায় মহাকরণে সরকারি চাকরি করেন, তিনি দেশের সামগ্রিক উন্নতির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা বক্তৃতা দিয়ে সকালে বিনা টিকিটেই ট্রেনে অফিসপথে যাত্রা করলেন, বলাবাহুল্য এটাই তার রোজকার কীর্তি ।
..
(৪)
জরাজীর্ণ দরমার ঘর, বৃষ্টিতে জল টালি চুইয়ে চুঁইয়ে পড়ছে, দপদপ ল্যাম্পের জলন্ত শিখার পরে আবছা আলোতে ৭-৮ বছরের বাচ্চাটি সারাদিন পর গোগ্রাসে গিলছে, সমাজের "কাজের মাসি" আর তার মা আরো দুটি রুটি এগিয়ে দিয়ে বললেন,
-"এই নে বাবু, আর একটু নে"
-"তুমি খেয়েছ"?
- হুহ! খাবো না কেন? খেয়েছি তো!
মেঘলা গভীর কালো আকাশ অবাক হয়ে দেখলো ..
সেদিন.. রাতে কিন্তু মা শুধু জল খেয়ে ঘুমিয়েছিল ।
..
(৫)
একটি মেয়ের ধর্ষণ হলো, বিশাল হুই-হুস্থূল হলো, পেপার, প্ল্যাকার্ড, মৌন মিছিল, খবরের চ্যানেলে লাইভ টেলিক্যাস্ট, ঘণ্টাখানকে সঙ্গে বুদ্ধিজীবী সব হল ..
কিন্তু আদতে মেয়েটিকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হল, টোন-টিটকিরি, অপমান, লাঞ্ছনা তার নিত্যসঙ্গী হলো, ধর্ষকের কিছু বছর জেল হয়ে সরকারের তরফ থেকে সেলাই মেশিন দিয়ে ছাড় দেওয়া হলো .. আর মেয়েটি ? নাঃ
কোন বীর রাজপুত্র এগিয়ে এলোনা এক ধর্ষিতা রাজকন্যাকে পক্ষীরাজ ঘোড়ায় চাপিয়ে নিয়ে যেতে ..
তার খবর আজকাল জানিনা .. !
Friday, 27 July 2018
ডেডিকেটেড
প্রথমবার দেখা করতে গেলে প্রেমিকের জন্য গিফট কেন নিতে হবে?
তার চেয়ে নিজের হাতে কিছু একটা রান্না করে নিয়ে গিয়ে,সেটা নিজের হাতে খাইয়ে দিলে সমস্যা কোথায়?
প্রেমিকার জন্য দামি টেডিবিয়ার কেনার কি দরকার?
তার চেয়ে নানা রঙের কাঁচের চুড়ি কিনে,সেটা নিজের হাতে পড়িয়ে দিয়ে,সেই চুড়ির শব্দ শোনাটা বেশি মজার হবে!
প্রত্যেক রাতে চ্যাটিং বা মোবাইলে কথা বলতে হবে কেন?
তার চেয়ে এক রাতে হুট করে মোবাইলটা অফ করে দিন।
সারাদিন কথা না বলে বিকালে ফোন করে-
"তোমার সাথে জরুরী কথা আছে,এক্ষুনি দেখা করো!" বলে দেখা করতে গিয়ে,তার হাতে দশ-বারো পেজের একটা প্রেমপত্র ধরিয়ে দিলেই হয়!
কয়েকদিন মোবাইলে কথাবার্তা বলা বাদ দিয়ে,জাষ্ট চিঠিতে সমস্ত আবেগ ঢেলে সেটা একে অপরকে পাঠান না!
মন্দ হবে না সিরিয়াসলি!
দুজন মিলে একটা টি-শার্ট কিনুন!
তারপর কয়েকদিন পরে,সেটা প্রিয় মানুষকে দিয়ে দিন!
সেটা গায়ে দিয়ে একটু পর পর 'ঘ্রান' নিতে খারাপ লাগবে না হয়তো!
সবসময় মোবাইলে প্রেমালাপ করতে হবে কেন?
তার চেয়ে একজন আরেকজনের টিচার হয়ে যান!
পরামর্শ দিন পরামর্শ নিন..!!
বাঙালির পদবী অনুযায়ী ধারণা
ঘোষ - ঘোষ মানেই দুধের ব্যবসা, বাড়িতে গরু পোষে ।
..
সাহা - সাহা মানেই কিপ্টের যম, প্রাণ বেরিয়ে গেলেও হাত থেকে টাকা বেরোবে না ।
..
মোদক - মোদক মানেই বাঙালি ভাবে তার মিষ্টির দোকান থাকবেই সাথে ভুঁড়ি ফ্রি 😂
..
পাল - পাল মানেই সে পাপোষ তালের রিলেটিভ ।
বা জীবিকা মৃৎশিল্পী ।
..
দাস - আজীবন দাসত্ব করে যায়, আগেকার দিনে ক্রীতদাস ছিল 😂
..
হাজরা - মারাত্মক রকমের প্রতিবাদী, সেই মাতঙ্গিনী হাজরার যুগ থেকে, কিছু হলে হাজরা করে ঝাঁঝরা ।
..
দত্ত - ট্যালেন্টেড হয়, আজীবন দত্ত-গর্ত নিয়ে বন্ধুদের খিল্লির শিকার হয় ।
..
কুন্ডু - এরাও সাহাদের পরে কিপ্টেমিতে স্থান, কুন্ডু এর সাথে মুন্ডু মিলিয়ে কবিতা শুনতে অভ্যস্ত ।
..
মন্ডল - এমন কোন মন্ডল নেই যে এই ছন্দ শোনেনি -
"মন্ডল করে শুধু গন্ডগোল" .. জীবিকা চাষা ।
..
দে - দে মানেই হাভাতে , চাওয়া ছাড়া কাজ নেই, বাঙালি ভাবে এদের পূর্ববঙ্গের ভোলায় বাড়ি ছিল । দুর্বোধ্য বাংলায় কথা বলে..
..
সরকার - সরকার মানেই এই কবিতাটা ,
"সরকার -
গাছ থেকে পরে গেলে ওষুধের দরকার,
ওষুধ নাই ঘরে,
টাকা চুরি করে,
সাতদিন পরে,
জেল খেটে মরে" ..
..
ভট্টাচার্য্য/চক্রবর্তী -
এই দুটো পদবী মানে সে পুরুত মশাই 😂
..
বড়ুয়া - নেপালি, বৌদ্ধ , রাতে পাহারাদারি করে ।
..
বর্মন - বিদেশি, বর্মা থেকে আগত, এখন এখানে বসবাস করে, ভারিক্কি টাইপের হয় ।
..
অধিকারী - Over- possessive ও প্রতিবাদী টাইপের হয়, ফেবু আন্দলনের অন্যতম কান্ডারি ।
..
বসু/বোস - নিজেদের নেতাজির বংশধর বলে দাবি করে, বেশিরভাগ চাকরিজীবী হয় ।
..
মজুমদার - সাদা মাটা বাঙালি, লীলা মজুমদারকে নিয়ে গর্ব বোধ করে ।
..
বিশ্বাস - এদের বিশ্বাস করাই সবথেকে কঠিন 😂
..
রায় - রায় মানেই বাঙালি বোঝে খুব ট্যালেন্টেড লোকজন । 😂😂
যেমন - সত্যজিৎ রায়, সুকুমার রায় ।
..
পোদ্দার - বাঙালি ভাবে এরা "পোদ্দারী" করতে ওস্তাদ 😂
এরা পদবী শুনলে লোকের মুখে হাসি ফোটে ।
..
সেন - বাঙালি ভাবে এদের অনেক টাকা, আর ফিরকি ওড়াতেও ভালোবাসে 😂
- গৌরী সেন এদের বদনাম করেছে ।
..
গোস্বামী / ভরদ্বাজ - গোস্বামী বা ভরদ্বাজ মানেই বাঙালির কাছে সাধক । পূজা-অর্চনা নিয়ে থাকে ।
..
বণিক - মানেই বাঙালি ভাবে ব্যবসায়ী ।
..
দেবনাথ - সাধারণত ব্যবসায়ী, কিপ্টে টাইপের লোকজন ( সাহা ও কুন্ডুর পরে স্থান)
..
গুপ্ত - মারাত্মক রকমের Introvert 😂 গুপ্ত রোগের শিকার।
..
সুর - গান গায়, বিলুপ্ত প্রজাতির জীব, হাতি নয় তবে সুর আছে ।
..
কর - কাজের নামে অষ্টরম্ভা , অন্যকে শুধু অর্ডার মারে ।
..
পান্ডে/সিনহা/সিং/শর্মা- বাঙালি হলেও কেউ বাঙালি ভাবে না 😂
..
চৌধুরী/মন্ডল /খান - বাঙালি সারাক্ষন Confused ব্যক্তিটি হিন্দু না মুসলমান, সবথেকে Confusing পদবী ।
..
পাত্র - সারাক্ষন বিয়ের ধান্দা
..
গাঙ্গুলি - গাঙ্গুলি মানেই দাদার বংশধর, এরা গর্ববোধও করে ।
..
মুখার্জি/চ্যাটার্জি - ব্রাহ্মণ তাই ঘ্যাম বেশি 😂
..
মাইতি/মাহাতো - মাইতি বা মাহাতো মানেই বাঙালি ভাবে মেদিনীপুরে বাস 😂
..
ঠাকুর - এরা নিজেদের রবিঠাকুরের বংশধর ভাবে, লেখালিখি করে, অনেকের আবার হাতও থাকে না, গব্বর কেটে নিয়ে গেছে ।
..
হালদার/হাওলাদার - মানেই বাঙালি ভাবে SC, এরা ব্যবসা করে ।
ব্যানার্জি - থাক আর নাই বা বললাম.. জয় মা মাটি মানুষ 😂
..
ঘোষাল - ভালো গান গায়, নিজেদের শ্রেয়া ঘোষালের বংশধর বলে দাবি করে ।
..
দেব - পাগলু ড্যান্স ড্যান্স ড্যান্স 😂😂
..
গুহ - মেয়েবাজ হয়, সারাজিবন গুহার খোঁজে জীবন কাটায় 😂
..
কর্মকার - এদের সোনার বা দশকর্মার দোকান আছে ।
..
হোর - ইংলিশে ভাবলেই এরা তোমায় ধুয়ে দেবে 😂
..
মিত্র/বক্সি - শখের গোয়েন্দা কিন্তু বাস্তবতা হুমরে পরায় চাকরি খোঁজে 😂
..
মান্না - রান্নায় সিদ্ধহস্ত
..
বৈরাগী - বাউল গান গায় ।
..
নন্দী - ভৃঙ্গির সহোদর, মাল খেয়ে পরে থাকে ।
..
সাধু/সাধু খাঁ - ভন্ড লোকজন হয় , বুজরুকি পছন্দ করে ।
..
জোয়ারদার - জোয়ারের জন্যে চাঁদ কম এরা বেশি দায়ী ।
..
স্যন্যাল - পাঁজি দেখা ব্রাহ্মণ 😂
..
নস্কর - এদের বোঝা দুষ্কর !
..
শীল - চুপিচুপি লোকের চালে মারে ঢিল ..
..
ভৌমিক - কুকুরপ্রেমী, ঝামেলা লাগলে ভৌ ভৌ করতে সবার সেরা ।
..
মল্লিক - সপাত সপাত ! মানুষজনকে চাবকাতে ভালোবাসে 😂
..
সামন্ত - সাধারণত BSF হয়, সামন্তদের সীমান্তে দাঁড়াতে ভালো লাগে ।
..
বসাক - বসে বসে দিন কেটে যায়, ব্যাটারা ল্যাদখোর .. ..
..
ভান্ডারী - জ্ঞানের ভান্ডার,গুলবাজ ।
..
নায়েক - একটুর জন্যে .. নায়ক হতে পারেনি ।
..
মালিক - এরা আদতেও মালিক হয় না, বাস্তব জীবনে এদের হাঁড়ি ফুটো ।
..
ধর - লাজুক প্ৰকৃতির হয়, ধর ধর করলেও ধরতে পারে না ।
..
চন্দ্র - চাঁদপানা মুখ, কিন্তু মনে বড় দুখ 😣
..
সর্দার - একসময় ডাকাতি করত, এখন ব্যবসায় মন্দ বলে ব্যবসা করে, খেলাধুলায় ভালো ।
..
সিংহ - ধুস! এরা আবার মানুষ নাকি?
..
পাঁজা - পাঁজারা গাঁজা খায় ।
..
খাঁড়া - জাপানি তেলের কারবারি ।
..
Popular Posts
-
১। পুতুল নাচের ইতিকথা- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ২। জোছনা ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ ৩। পথের পাঁচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৪। লোটা কম্বল...
-
একদা কোন এক সময়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাধ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং কবি সামসুর রহমান বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন । আড্ডা দেওয়ার এক পর্...
-
এক পর্যটক একদিন এমন একটি শহরে বেড়াতে এলেন, যেখানে পুরো শহরটি ধার-দেনায় ডুবে ছিল। তো পর্যটক ভদ্রলোক ৫০০ টাকার একটি নোট হোটেলের কাউন্টারে দিয়ে...
-
শিবনাথ শাস্ত্রী পন্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রী ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। স্কুলে ড্রাম ভর্তি রসগোল্লা এসেছে। তখন শাস্ত্রী সাহেব বললেন, ”এই ড্রাম...
-
গান্ধীজিকে কেনো সন্মান করবো, বলতে পারেন ? যারা গান্ধীজিকে মহানের চোখে দেখেন তাদের জন্য আমি বিপ্লব আরেকবার এলাম। আশাকরি কয়েকটি ঐতিহাসিক যুক্...
-
বিভিন্ন শাস্ত্রের উপর ১৫০টি বিষয় ভিত্তক জনকের নাম #বাংলা_সাহিত্য::: ✬বাংলা উপন্যাস–বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ✬ বাংলা সনেট – মাইকেল মধূসূদ...
-
পাবলিক টয়লেটের দেওয়ালে লেখা আছে পায়খানা -৫ টাকা প্রস্রাব-২ টাকা ... সাদা মনে জিজ্ঞেস করেছিলাম পাবলিক টয়লেটের অর্থসংগ্রহকারীকে "পায়খা...
-
বাঙালী যে কত পরিমানে ল্যাদখোর সেটা বোঝা যায় বাঙালির ভূত তাড়ানো দেখে। ইংরেজদের ভূত তাড়াতে ক্রুশ জোগাড় করতে হয়, হোলি ওয়াটার জোগাড় করতে হয়, ...
-
Holiday List for West Bengal Government Employees, 2023 Governor is pleased to declare that the days as specified at List-III may be observe...
-
১২ই সেপ্টেম্বর বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের জন্মদিন। মাত্র ৫৬ বছর বয়সে মারা যান বিভূতিভূষণ। মৃত্যুর তিন বছর আগে একমাত্র ছেলে তারাদাস বন্দোপাধ্য...