Thursday, 6 June 2019

তোতলা

পাভেল খুব তোতলায়। এমনটা ছোটবেলায় হতো না, এখন কেন হচ্ছে জানার জন্যে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলো সে। ডাক্তার প্রথমে নাক-কান-গলার বিভিন্ন টেস্ট দিলেন।যথাসময়ে রিপোর্ট হাতে এল,কিন্তু রিপোর্ট ডাক্তার এমন কিছু পেলেন না যার কারণে পাভেল এর এই হঠাৎ তোতলামি দেখা দিতে পারে।অবশেষে ডাক্তার তাকে থরো চেকআপ এর সিদ্ধান্ত নিলেন।এবং তাকে আপাদমস্তক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে কারণটা খুঁজে পেলেন ডাক্তার।
তিনি পাভেলকে জানালেন, দেখুন মিস্টার পাভেল, আপনার দেহের বিশেষ প্রত্যঙ্গটি অত্যন্ত দীর্ঘ।সেটির ওজনে আপনার ভোকাল কর্ডে টান পড়েছে।প্রত্যঙ্গটি কেটে খানিকটা ছোট করা হলে সম্ভবত আপনার তোতলামি সেরে যাবে।আপনি রাজি হলে এখন যা আছে, তার অর্ধেকে আমি আপনাকে নামিয়ে আনতে পারি।তবে যে অর্ধেক সরিয়ে ফেলা হবে, সেটি কিন্তু আপনাকে হস্তান্তর করা হবে না।আপনি কি রাজি?
কী আর করা, পাভেল রাজি হলো।অপারেশন সফল হওয়ার পর তার তোতলামি একেবারেই সেরে গেলো। কিন্তু পাভেলের বান্ধবী টিনা সব জানতে পেরে ভীষণ চটে গেলো।সে হুমকি দিলো, তোতলামি নিয়ে তার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু অর্ধেক যদি সে ফেরত না নিয়ে আসে, এ সম্পর্ক সে রাখবে না। মাসখানেক টিনাকে বোঝানোর চেষ্টা করে বিফল হয়ে শেষে পাভেল আবার গেলো ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তারসাহেব, আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন- আব্দার জানালো পাভেল , তারপর বর্তমান পরিস্থিতি ডাক্তারকে বুঝিয়ে বললো। কিন্তু ডাক্তার কোন জবাব দিলেন না, ভাবুক চোখে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে। পাভেল চটে গেলো। : কী হলো, কথা শুনতে পাচ্ছেন না আমার? আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন।
ডাক্তারও চটে গিয়ে বললেন, প-প-প-পারবো না। য-য-য-যান, ভ-ভ-ভাগেন এখান থেকে।

ডুয়েল

ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে | সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি | যে জিতবে লিন্ডা তার হবে | বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল | পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে | বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল | ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে | সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই |

ধাড়ী মেয়ে

একটি গাভির সামনে দিয়ে একটি বিড়াল হেটে যাচ্ছিল।
গাভি: ইস! যেই না পুচকে ছোড়া, আবার গোফ রেখেছে, শরম করে না?
বিড়াল: এতো বড় ধাড়ী মেয়ে, ব্রেসিয়ার পরে না, শরম করে না?

সেয়ানা পাগল

সিনেমা হলের সামনে অনেক আগে এক পাগল থাকতো। মেয়েরা যখন হলের সামনে দিয়ে যেত তখন সে তার লুঙ্গীটা একটু তুলে বলতো, দিদি দেখবেন? আর মেয়েরা লজ্জা পেয়ে চলে যেত। একদিন এক সাহসীকে মেয়েকে পাগলটি একই কথা বললে, মেয়েটি সাহস করে বলে উঠলো হ্যা দেখবো দেখান কি দেখাবেন, তখন পাগল লজ্জা পেয়ে চলে গেল তারপর থেকে পাগলটি আর সিনেমা হলের সামনে আসেনি।

৬' ইঞ্চি একটা জিনিস

BF: তার বান্দবিকে বলছে আচ্ছা বলতো ৬' ইঞ্চি একটা জিনিস যেটা দরলেই শরিরে অন্য রকম লাগে , আর আমি তোমাকে দিলে তুমি তা সাবধানে বিশেষ জায়গায় ঢুকিয়ে রাখ এবং আরও বেশী বেশি পরিমানে চাও। বলতো জিনিসটা কি?

GF: যা দুষ্ট , কি বল এইসব,আমার লজ্জা লাগে...আমি বলতে পারবোনা... !!!

BF:আরে লজ্জার কি আছে !! তুমিকি মনে করছ ??...আমি তো...
/
/
/
/

/
/
/
/৫০০৳ টাকার নোটের কথা বলছি!!! তোমার দেখি চিন্তাই খারাপ....? ?

হাসি খুশি

এক লোকের বউয়ের নাম হাসি আর শ্যালিকার নাম খুশি। সেই লোক রাতের শিফটে কাজ করে। বহুদিন পর খুশি দুলাভাইয়ের বাসায় বেড়াতে এসেছে। হাসি আর খুশি ডিনার সেরে টিভি দেখতে দেখতে একই খাটে শুয়ে পড়লো। দুলাভাই ভোর চারটার দিকে বাড়ি ফিরলো। সে জানে শ্যালিকাটি বউয়ের পাশেই ঘুমোচ্ছে। বাসায় ফিরে রুমে ঢুকে কেয়ারফুলি কেয়ারলেস ভাব নিয়ে শ্যালিকার পাশে শুয়ে পড়লো। যেন সে ঘুমের ঘোরে এ কাজটি করছে, এমন কেয়ারলেস ভাব নিয়ে এক সময় শ্যালিকাকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে থাকে। আদর পেয়ে শ্যালিকার ঘুম ভেঙ্গে যায়। সে চাপা স্বরে বলে, দুলাভাই আমি খুশি...আমি খুশি. দুলাভাই এবার চেতন হবার ভাব ধরে ফিসফিস করে বলে, আমি তো ভাবছিলাম তুমি রাজিই হইবা না। চলো পাশের রুমে যাই।

ইংলিশ গেইম

গ্রামের সহজ সরল এক মেয়েকে বিয়ে করল এক লোক। নতুন স্বামী থাকেন শহরে। বিয়ে হলো গ্রামে। গ্রামের বিয়েতে বিশাল হৈ চৈ। যার কারনে বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন আর হলো না। বিয়ের পর বউ নিয়ে চলে এলো শহরে। শহরে এসেও কাজ হয় না। প্রতি দিনই কেউ না কেউ এসে উপস্থিত। একদিন সব ঝামেলা শেষ হলে স্বামী সকালে অফিসে যাবার আগে বউকে বলল, "আজ আমি তোমার সাথে ইংলিশ গেইম খেলব! খুব মজার খেলা, তোমার খুব মজা লাগবে।" সহজ সরল স্ত্রী মনে করলো, শহরের মানুষ, নিশ্চই কোনো নতুন ধরনের খেলা হবে। সারাদিন পর স্বামী ঘরে ফিরে এলো। খাওয়া-দাওয়া সেরে রাতে গেল শোবার ঘরে। স্ত্রী সুধাল, "তোমার ইংলিশ গেইম কখন খেলবা?" স্বামীর উত্তর, "এখনই।" বলেই স্ত্রীর সাথে মনের সাধ মিটিয়ে গেইম খেলল, মানে বাসর সাজাল। রতিক্লান্ত শরীরে তৃপ্তির হাসি হেসে স্বামী যখন থামলেন, তখন স্ত্রী বললেন, "এইটা তোমার ইংলিশ গেইম? এই গেম তো আমি গ্রামে প্রায় দিনই চাচাতো ভাইদের সাথে খেলতাম!"

ছাগল থেকে খাসী

সে এক আদ্যিকালের কথা। এক রাজ্যে ছিল এক বুড়ি। বুড়ির খুব দুঃখ। তার স্বামী মারা গেছে বহু আগে, কোনো ছেলেপেলেও নেই। আছে শুধু একটা ছাগল। ভিক্ষা করে কোনো রকমে নিজের আর ছাগলের পেট চলে। তো একদিন বুড়ি ভিক্ষা করছে। এক বাড়িতে তাকে ভিক্ষা দিল একটা প্রদীপ। বুড়ি ভাবল এটা দিয়ে কি করা যায়? যা থাকে কপালে ভেবে ঘষা দিল প্রদীপে। তারপর যা হয় আর কি! এক জ্বিন এসে হাজির। বলল, "হুকুম করুন। আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব।" বুড়ি তার প্রথম ইচ্ছা জানাল, "আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপ্রাসাদের মালিক বানিয়ে দাও।" "যো হুকুম।" বুড়ি রাজপ্রাসাদে এসে গেল। "আপনার দ্বিতীয় ইচ্ছা কি?" "আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজকন্যা বানিয়ে দাও।" তাই হল। "তৃতীয় ইচ্ছা কি?" "আমার পোষা ছাগলটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে যৌন আবেদনময় পুরুষ বানিয়ে দাও।" বুড়ির এই ইচ্ছাও পূরণ হল। "আমি এখন মুক্ত।" এই বলে জ্বীন অদৃশ্য হল। সুদর্শন যুবক (যে কিনা আগে ছাগল ছিল) এগিয়ে এল বুড়ির (যে এখন সুন্দরী রাজকন্যা) দিকে। বুড়ির নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল। বুড়ির কানে কানে সে বলল, "আপনার কি মনে আছে শৈশবে আপনি আমাকে ছাগল থেকে খাসী করে দিয়েছিলেন???"

এই ৫ টা জিনিস লুকোলে আর 'বউ গেলে বউ পাবেন না'!

সব করুন, কিন্তু বউয়ের কাছে এই ৫টি জিনিস কখনও লুকোবেন না। আর যদি লুকিয়েই ফেলেন, তাহলেই গেল! 'বউ গেলে আর বউ পাবেন না!'

আসলে স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কটাই বলতে পারেন সরু সুঁতোয় বাঁধা। একটু হ্যাঁচকা টান পড়লেই, ব্যাস। সব শেষ।

তাই সম্পর্কটা ভাল রাখতে, বউকে খুশি করতে অন্তত এই ৫ টা জিনিস কখনও লুকোবেন না। তাহলে জেনে নিন, কী সেই ৫ টা জিনিস।

১) হতেই পারে, আপনার জীবনে পুরনো প্রেম ছিল। অনেকেরই থাকে। থাকতে পারে। কিন্তু কিছুতেই সেই সম্পর্কের কথা লুকিয়ে রাখবেন না। নিজে থেকেই জানিয়ে দিন তাঁকে। এতে স্ত্রী আপনাকে বিশ্বাস করবে। কিন্তু আপনি জানালেন না। আর সে নিজে জেনে ফেলল, ব্যাস। আপনার আর রক্ষে নেই।

২) পুরনো সব কিছু নিয়েই খুব সাধারণ ব্যাবহার করুন। এমন ভাব করবেন না, যাতে আপনাকে দেখে, আপনার কথা শুনে মনে হয়, আপনি কিছু লুকোচ্ছেন। মেয়েরা তাঁর স্বামী তাঁর থেকে কিছু লুকোচ্ছে, এটা কিছুতেই মানতে পারবে না।

৩) নিজের কোনও দুর্বলতা থাকলে সেটা অবশ্যই আপনার স্ত্রীকে বলুন। এতে আপনি তাঁর কাছে ছোট বা দুর্বল হয়ে যাবেন না। বরং, এক্ষেত্রে আপনার স্ত্রী আপনাকে ওই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে নিশ্চয়ই সাহায্য করবে।

৪) আপনি আপনার ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতেই পারেন আলাদা করে। কিন্তু সেটা তাঁকে না জানিয়ে একদমই করবেন না।

৫) আপনার মেলামেশা কাদের সঙ্গে সেটা সবসময় আপনার স্ত্রীকে জানান। তাদের সঙ্গে পরিচয় না করালেও হবে। কিন্তু আপনার স্ত্রী যেন জানতে পারেন যে, আপনি কাদের সঙ্গে সময় কাটান।

Monday, 27 May 2019

চাকুরির ইন্টারভিউ

অঙ্কে দুর্বল দু'জন চাকুরি প্রার্থী ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য বসে রয়েছেন। প্রথম জন ভেতরে ঢুকলেন।
অফিসারঃ মনে করুন, আপনি ট্রেনে যাত্রা করছেন। যাত্রাকালে আপনার অত্যধিক গরম লাগছে। আপনি কী করবেন?
চাকুরি প্রার্থীঃ ট্রেনের জানালা খুলে দেবো।
অফিসারঃ বাহ, খুব ভালো। এখন বলুন,
জানালার ক্ষেত্রফল ১.৫ বর্গ মিটার, ট্রেনের কামরার ঘনফল ১৩ ঘনমিটার, পশ্চিমদিকে ট্রেনের গতিবেগ ৮০কিমি/ঘন্টা এবং হাওয়ার গতিবেগ দক্ষিণ দিকে ৫মাইল/সেকেন্ড হলে ট্রেনের কামরা ঠাণ্ডা হতে কত সময় লাগবে?
চাকুরি প্রার্থী কোন উত্তর দিতে পারলেন না। বেরিয়ে এসে দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীকে প্রশ্নের বিষয়ে জানালেন।
এবার দ্বিতীয় জন ভিতরে ঢুকলেন।
অফিসারঃ মনে করুন, আপনি ট্রেনে যাত্রা করছেন। যাত্রাকালে আপনার অত্যধিক গরম লাগছে। আপনি কী করবেন?
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ কোট খুলে দেবো।
অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে কী করবেন?
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ জামা খুলে দেবো।
অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে?
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ প্যান্ট খুলে দেবো।
(বিরক্ত হয়ে) অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে?
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ জাঙ্গিয়া খুলে দেবো।
(প্রচণ্ড রেগে গিয়ে) অফিসারঃ তারপরেও যদি গরম লাগে?
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ স্যর, আমি গরমে মরে যাবো, কিন্তু কোনভাবেই ট্রেনের জানালা খুলবো না।
🤣🤣🤣🤣🤣

Saturday, 11 May 2019

বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম

বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম একটা জনপ্রিয় মেটাফোর। একটা ব্যাঙ কে যদি আপনি একটি জল ভর্তি পাত্রে রাখেন এবং জলকে উত্তপ্ত করতে থাকেন তবে ব্যাঙটি জলের তাপমাত্রার সাথে সাথে নিজের শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্যে রাখতে থাকে।
সে জলের উত্তাপ সহ্য করতে থাকে, লাফ দিয়ে বেরোনোর পরিবর্তে।
কিন্তু একসময় জলের প্রচন্ড তাপমাত্রা ব্যাঙের শরীর আর মানিয়ে নিতে পারে না।
যখন সে আর জলের প্রচন্ড তাপমাত্রা তার শরীরের তাপমাত্রার সমতায় আসতে পারে না, তখন ব্যাঙটি ফুটন্ত জলের পাত্র থেকে লাফ দেয়ার স্বিদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু হায়! সে লাফ দিতে পারে না তখন, কারন সে তার সমস্ত শক্তি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে ব্যায় করে ফেলেছে। অত:পর সে জলেতে সেদ্ধ হতে থাকে।
তার মৃত্যুর কারনটা আসলে গরম জল না, বিপদজনক পরিস্থিতির শুরুতে সেই পরিস্থিতি অস্বীকার করে লাফ না দেয়াটা তার মৃত্যুর কারন।
সব কিছু সহ্য করে নেবার মত বড় ভুল তার মৃত্যুর কারন। মানিয়ে নেবার, পাত্রের জল গরম কেন তার প্রতিবাদ না করে বরং তার সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়াই তার জীবন্ত সেদ্ধ হবার কারন। সঠিক স্বিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে না নেয়াই তার মৃত্যুর কারন।
হটাৎ করে সেই সেদ্ধ হওয়া ব্যাঙের কথা মনে পড়লো। খুব সম্ভবত আমরাও ঐ ব্যাঙের মত মানিয়ে নিচ্ছি আমাদের চারপাশের সাথে। সহ্য করছি সব, আর ভাবছি টিকে আছি, টিকে থাকবো। আসলে আমরা সেই বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোমে আক্রান্ত।
যখন বুঝবো, তখন ডিসিশান মেকিং এর কোন শক্তিই আর শরীরে অবশিষ্ট থাকবে না।

Popular Posts