Friday, 7 June 2019

আমার মুখ খুলিও না

স্বামী- সারাদিন TV তে এত রান্নার শো দেখো, একটা রান্নাও ঠিক-ঠাক করতে পার না?
স্ত্রী- আচ্ছা....😡😡.... তুমিও তো সারাক্ষণ Blue Film দেখো....... ছাড়ো আমার মুখ খুলিও না 😜😝😛😛😝😜😜😝😛😛😝😜

জিন্স

দিদি বিয়ের পর হানিমুনে গেছে


বোন ফোনে বলছে- দিদি যে জিন্সটা কিনেছিস , ওটা পরবি কিন্ত


দিদি- ধুর, হারামজাদাটা গত তিনদিন ধরে প্যান্টিই পরতে দিচ্ছে না, তার ওপর জিন্স😜😜😜😜😜

চিনি

রামবাবুর বাড়িতে চারজন বন্ধু এসেছেন। রামবাবু স্ত্রীকে চা বানাতে বললেন।

স্ত্রী রান্নাঘরে রামবাবুকে ডাকলেন এবং বললেন, চিনি তো সব শেষ, একফোঁটাও নেই, চা বানাবো কি করে ?

রামবাবু বললেন তুমি বানাও তো চা, বাকিটা আমি ম্যানেজ করে নেব।

রামবাবুর স্ত্রী চা বানিয়ে পরিবেশন করলেন। এবার রামবাবু বললেন, বন্ধুরা আজ আমরা একটা মজার খেলা খেলবো। এই চাএর কাপগুলোর মধ্যে একটা কাপে চিনি দেওয়া নেই, সবাই একটা করে কাপ নেবেন, যার কাপে চিনি থাকবে না, তিনি আগামী রবিবার আমাদের সবাইকে একটা বড় রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়ে খাওয়াবেন।

চা খাবার পর প্রশ্ন করা হলে সবাই স্বীকার করে নিলেন তাদের চায়ে চিনি ঠিক ছিল, একজন তো বলেই বসলেন, বৌদি কি আমার কাপে ডবল চিনি দিয়েছিলেন নাকি ?😀😀😀

ভবেশবাবুর স্ত্রী

(কারুর সাথে মিলে গেলে আমি দায়ী নই😷😷) ��রাত ২ টার সময় স্ত্রী হঠাত ভবেশবাবুকে গভীর ঘুম থেকে জাগিয়ে জিজ্ঞেস করছেন-- ��বলো তো "ত্রিদেব" সিনেমার নায়িকা কে ছিল I��ভবেশবাবু বললেন-- মাধুরী দীক্ষিত, সঙ্গীতা বিজলানি আর সোনম I��স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন-- Dilwale dulhaniya le jayege ছবিতে কাজলের স্ক্রিন নেম কি ছিল?��ভবেশবাবু বললেন-- সিমরান ��স্ত্রী আবার জিজ্ঞেস করলেন-- ২০০৩সনে ওয়ার্ল্ড কাপ ম্যাচে শচীন পাকিস্থানের বিরুদ্ধে কত রান করেছিলেন ?��ভবেশবাবু বললেন- ৯৮ রানI ��স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন--আমাদের উল্টো দিকের ফ্লাটের কবিতা হায়দ্রাবাদ গিয়েছিল, সে কবে ফিরে এসেছে, বলতে পারো ?��ভবেশবাবু বললেন -- গত বুধবার কবিতা ফিরে আসার দুই মাস পূর্ণ হয়েছে I ��ভবেশবাবু তখন একটু বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন-- কি ব্যাপার তুমি মাঝ রাতে আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে এসব কেন জিজ্ঞেস করছ ? ��ভবেশবাবুর স্ত্রী বললেন-- ��গতকাল আমার জন্মদিন ছিল ��চারিদিকে নিঝুম নীরবতা ..........��🙊🙊🙊🙊🙊🙈🙈🙈🙈🙈

তিনজন পাগল

একই খাটে তিনজন পাগল শুয়ে আছে। জায়গা কম, ঠাসাঠাসিও হচ্ছে। তাই একজন নিচে মাটিতে নেমে গেল। ওপর থেকে বাকি দুজন বলল- আয়, এবার চলে আয়, জায়গা খালি হয়ে গেছে 😛

মহিলা সেক্রেটারী নিয়োগ

এক অফিসে মহিলা সেক্রেটারী নিয়োগ করা হবে। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়াহয়েছে। নির্দিষ্ট দিনে কয়েকজন মেয়ে হাজির ইন্টারভিউ দিতে।
�… বস প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছে,- মেয়েদের সাধারনত দুইটা মুখ।
�দুইটার মধ্যে পার্থক্য কি?
�মেয়েরা সব মুখ চাওয়া চাওয়ি করছে।
�বস বলল, যে সঠিক উত্তর দিতে পারবে তার চাকরি আজকেই হয়ে যাবে।
�তাই শুনে ১ম মেয়েটি বলল,-একটা কথা বলতে পারে, আরেকটি পারে না। বস কোন জবাব দেয় না।
২য় মেয়ে বলল,…- একটাহরাইজেন্টাল , আরেকটিভার্টিকাল।বস নিরুত্তর।
�৩য় মেয়ে,- একটার মুখে চুলভর্ত্তি, আরেকটার নাই। বস তবু নিরুত্তর।
�৪র্থ মেয়ে,- একটা আমার ব্যবহারেরজন্য, আরেকটা বসের জন্য।
�বস আনন্দে লাফিয়ে উঠল, "ওরে, তুই তো দেখি এপোয়েন্টমেন্টের আগেই প্রমোশন নিবি!"

এক্স- রে চশমা

রানাঘাটের বাবু ঘোষ একবার ব্যবসার কাজে চিন গেল।

ওখানে সে একটা চাইনিজ এক্স- রে চশমা কিনলো,

যার দ্বারা যে কোনো মানুষকেই বিনা কাপড়ে দেখা যায়।

দোকানদার বললঃ চশমা পরে আমাকে দেখো....।

বাবু ঘোষ চশমা পরে দোকানদারকে বিনা কাপড়ে দেখতে পেল।

তারপর সে চশমা খুলে দোকানদারকে কাপড় পরে দেখতে পেল। বাবু ঘোষ খুব খুশি হলো।

সে বাড়ি ফেরার জন্য ফ্লাইট ধরলো। প্লেনের মেয়েদের, এয়ারহোস্ট্রেস দের চশমা পরে বিনা কাপড়ে দেখে খুব খুশি হলো।

বাড়িতে আসার জন্য এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সি ধরলো, ড্রাইভারকেও বিনা কাপড়ে দেখলো। বাবু ঘোষ চশমাটা পরেই বাড়ি পৌঁছলো।

ঘরে ঢুকে সে তার বৌ আর বাড়ির চাকরকে বিনা কাপড়ে একই বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখলো।

চশমা খুলে দেখলো, আবার তাদের বিনা কাপড়ে দেখতে পেল।

আবার চশমা পরে দেখলো, আবারও বিনা কাপড়েই দেখতে পেল।

বাবু ঘোষ আবার চশমা খুললো....

একি...!! সে একই দৃশ্য দেখতে পেল।

বাবু ঘোষ তো রেগে আগুন।

সে রাগে গজগজ করতে করতে বললঃ শালা,

.

.

এইজন্যই চায়না মাল

কিনতে নেই, ২ দিন

না যেতে যেতেই খারাপ

হয়ে গেল....!!!!😜😜😝😝😆😆

প্রমোশন

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সুন্দরী শিক্ষিকা চাকুরিতে যোগ দিলেন। পড়াতে গিয়েই টের পেলেন,যুগের ছেলেরা পাল্টেছে, অতি স্মার্ট ডিজুস পোলাপান নিয়ে ম্যাডামের বেকায়দা অবস্থা। প্রথম গ্রেডে সদ্য ভর্তি হওয়া রাজু তো বলেই বসলো, ম্যাডাম,আমি কোনো অবস্থাতেই প্রথম গ্রেডে পড়বোনা। কারণ,প্রথম গ্রেডের সব পড়ালিখা আমি অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছি। এমনকি আমার বড় বোন যে ৩য় গ্রেডে পড়ে ,আমি ওর চেয়ে ও স্মার্ট।কাজেই মিনিমাম ,আপনি আমাকে ৩য় গ্রেডে পড়ার সুযোগ করে দিন। ম্যাডাম,রাজুকে নিয়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলেন।সব খুলে বললেন। প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, ঠিক আছে,আমি তোমাকে দুয়েক টা প্রশ্ন করবো, যদি তুমি ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারো ,তবে তোমাকে উপরের ক্লাশে প্রমোশন দেয়া হবে।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, আচ্ছা বলতো রাজু, ৩ গুন ৩ = কত? রাজুর জটপট জবাব, স্যার , নয়। আচ্ছা বলতো ৮ গুন ৮ সমান কত? এবারও রাজুর জবাব স্যার ৬৪। প্রিন্সিপাল স্যার ম্যাডামকে বললেন, রাজুকে উপরের ক্লাসে প্রমোশন দেয়া যায়।
রুপবতি ম্যাডাম এবার প্রিন্সিপাল স্যার কে বললেন, স্যার আমারও কিছু প্রশ্ন ছিলো, যদি আপনি অনুমতি দেন,আমিও একটু ওর মেধা যাচাই করি। প্রিন্সিপাল স্যার এবার মাথা নেড়ে সায় দিলেন। ম্যাডাম ,রাজুকে প্রথম প্রশ্ন করলেন-আচ্ছা রাজু বলতো,গাভীর চারটা আছে,কিন্ত আমার আছে দুটো। সে টা কি? রাজু চুপচাপ চিন্তা করছে,আর মিটিমিটি হাসছে। ম্যাডাম বললেন,লজ্জা পাবার দরকার নেই রাজু। তুমি সঠিক জবাব দিও। রাজু বললো, ম্যাডাম,এটা হলো-আপনার দুই পা।
ম্যাডাম এবার ২য় প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা এবার বলতো, তোমার প্যান্টের ও জায়গায় আছে,আর আমার তা নেই সেটা কি? রাজু লাজে হাসে। ম্যাডাম বলেন,লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই রাজু। রাজু বলেন,ম্যাডাম এটা হলো,আমার প্যান্টের পকেট।
ম্যাডামের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা, বলতো,এমন একটি শব্দ যা ইংরেজে লেটার C দিয়ে শুর আর T দিয়ে শেষ। জিনিসটা গোলাকার,ডিলিশাস,ভেতরে ভেজা ভেজা, আর নরম,যা পেলে সবাই তৃপ্ত হয়। প্রশ্ন শুনে প্রিন্সিপাল স্যারের চোখ বড় বড় হয়ে গেলো।কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না।চেহারা পুরো লাল হয়ে গেছে। রাজ বললো, ম্যাডাম এটা হলো Cocunut.
ম্যাডামের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা এবার বলোতো, যা খুব শক্ত হয়ে কারো ভিতরে ঢুকে,আর নরম,ভেজা,আঠালো হয়ে বের হয়ে আসে? রাজুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো বাবল গাম।
ম্যাডামঃআচ্ছা এবার বলোতো, কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যে শব্দ শুনলেই শরীরে যথেষ্ট উত্তাপ আর উত্তেজনা শুরু হয়- এ প্রশ্ন শুনে প্রিন্সপাল স্যারের আবারো, লজ্জাকর অবস্থা । কিন্ত রাজুর উত্তর ,ম্যাডাম এটা হলো Fire Truck.
ম্যাডামঃ বলোতো কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যা মানুষ না পেলে হাত ব্যবহার করে। রাজুর জবাব-ম্যাডাম এটা হলো-Fork.
ম্যাডামঃ রাজু বলতো সোনা,এ জিনিসটা কারো লম্বা, আবার কারো ছোট, একেক জনের একেক সাইজের হয়।বিয়ে করার পর জামাই আদর করে বউকে দিয়ে থাকে। রাজুর জবাব–ম্যাডাম এটা হলো ডাকনাম।
ম্যাডামঃ রাজু বলতো এটা পুরুষের শরীরে কোন অংশ যেখানে কোনো হাড় নেই,তবে অনেক শিরা আছে,এক রকমের মাংসপিন্ডের সমষ্টি,উত্তেজনাকর অবস্থায় বেশী অনুভূত হয়।বিশেষ করে যা দিয়ে ভালোবাসা বাসি বুঝা যায়। রাজুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো হার্ট বা হৃদয়।
শুনার পর প্রিন্সিপাল স্যার যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ম্যাডাম কে বললেন ওকে ৮ গ্রেডেই প্রমোশন দেয়া হোক। কারণ শেষের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব আমি নিজেই ভুল করেছি।

সব তোমার

এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে, : আমার যা কিছু আছে সব তোমার
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে, : তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?

চশমা ভাঙ্গল কিভাবে?

কিরে তোর চশমা ভাঙ্গল কিভাবে? : আর বলিস না। ওকে চুমু খেতে গিয়েছিলাম। : কি আশ্চর্য ! চুমু খেলে চশমা ভাঙ্গে নাকি? : না ইয়ে মানে…ও হঠাৎ দুই উরু দিয়ে চাপ দিল তো

আদম আর ইভ

প্রেমিক : বলো তো পৃথিবীর প্রথম প্রেমিক প্রেমিকা কে?
প্রেমিকা : আদম আর ইভ
প্রেমিক : গুড। এবার বলো তো ইভ আদমকে প্রথম কোন কথাটি বলেছিলো?
প্রেমিকা : এটা বেশ শক্ত।
প্রেমিক : ভেরি গুড; এটাও পেরেছ।

Popular Posts